অনলাইন ডেস্কঃ ফিলিস্তিনি নার্স রাজান আল নাজারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করতে চায়নি। ছোট একটি বুলেট তার গায়ে লেগেছিল। তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়নি বলে দাবি করছে ইসরাইল। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলেও জানায় ইসরাইল। খবর রয়টার্স
এদিকে শুক্রবার ফিলিস্তিনের গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, মেডিকেল টিমের সদস্য রাজান আল নাজারকে ইসরাইলি সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি করেছে। সে দক্ষিণ গাজা শহরের খান ইউনিসের কাছে আহতদের উদ্ধার করতে গিয়েছিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলছে, ফিলিস্তিনি জঙ্গিরা সীমান্তে তার সৈন্যদের ওপর গোলা ও গ্রেনেড দিয়ে হামলা করেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়, 'এই ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া যায় যে, একটি ছোট গুলি তার গায়ে লাগে। ইচ্ছাকৃতভাবে বা সরাসরি তার দিকে লক্ষ্য করে করা হয়নি।
ইসরাইল সেনাবাহিনীর এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, তদন্ত এখনও চলছে। সব কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। শনিবার নাজারসহ এক হাজারের মতো বিক্ষোভকারী গাজা সীমান্তে জড়ো হয়। সীমান্তের কাছে কিছু মানুষ আহত হলে সে তাদের চিকিৎসা দেয়।
গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ৩০ শে মার্চ থেকে ইসরাইলি সেনাদের হামলায় শুক্রবার পযর্ন্ত ১২০ জন নিহত হয়েছে। যে ছিটমহল অংশে ইসলামি হামাস গোষ্ঠী ও ইসরাইল নিয়ন্ত্রণ করে।
ইসরাইল বলছে, অনেক হামাস সদস্য ও জঙ্গি সীমান্তে হামলার জন্য চেষ্টা করেছিল।
ফিলিস্তিন দাবি করছে সহস্রাধিক বেসামরিক নাগরিক ইসরাইলি হামলায় আহত হয়েছে। গণবিক্ষোভের সময় ইসরাইল বড় রকমের শক্তি প্রয়োগ করায় আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দা করা হয়েছে।
ইসরাইলে দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো ফিলিস্তিনি তাদের অধিকার, বাড়িঘর ফিরে পেতে এবং ভূমি পূর্ণ দখলের জন্য দাবি করে আসছে।
