অনলাইন ডেস্কঃ সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
ইসির বাকি সদস্যরা হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী জেলার (অবসরপ্রাপ্ত) জেলা ও দায়রা জজ কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী।
সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম এই তথ্য জানান। বঙ্গভবনের সম্মতি নিয়েই এসব নাম ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন।
৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ও অন্য তিন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কমিশনার শাহনেওয়াজের মেয়াদ শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, সিইসি হিসেবে যাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে, বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সুপারিশে সিইসি হিসেবে তাঁর নাম ছিল না।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সিইসি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে মাহবুব তালুকদারের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। আর সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম সিইসি হিসেবে সুপারিশ করেছিল আওয়ামী লীগ।
এর আগে সন্ধ্যায় অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা অবস্থানের পর তাঁরা বঙ্গভবন ছেড়ে যান। ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে রাজনৈতিক দল থেকে নেওয়া নাম থেকে ১০টি নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি। সুপারিশে সিইসি হিসেবে সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা ও আলী ইমাম মজুমদারের নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি।
এ ছাড়া কমিশনার হিসেবে মাহবুব তালুকদার, জারিনা রহমান খান, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর নাম সুপারিশ করা হয়।
তাঁদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি পরবর্তী সিইসি ও ইসির সদস্য বেছে নেন।
উল্লেখ্য, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার পর তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সম্ভাব্য নির্বাচন কমিশনারদের নাম খুঁজতে গত ২৫ জানুয়ারি ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান করে এই কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মাসুদ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি শিরীণ আখতারকে। এ কমিটি প্রথম বৈঠকে বসে গত ২৮ জানুয়ারি। সরকারি প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সম্ভাব্য যোগ্য ব্যক্তিদের নামের তালিকা করার জন্য তাদের সময় বেঁধে দেওয়া হয় ১০টি কার্যদিবস।
সার্চ কমিটি ২৮ জানুয়ারি প্রথম বৈঠকে বসে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে। এরপর দুই ধাপে ১৬ জন বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের পরামর্শ শোনে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যোগ্য ব্যক্তিদের নাম আহ্ববান করে সার্চ কমিটি। দলগুলোও নাম প্রস্তাব করে। সেখান থেকে প্রথমে ২০ জনের ও পরে তা কমিয়ে ১০ জনের তালিকা করে সার্চ কমিটি।
ইসির বাকি সদস্যরা হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী জেলার (অবসরপ্রাপ্ত) জেলা ও দায়রা জজ কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী।
সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম এই তথ্য জানান। বঙ্গভবনের সম্মতি নিয়েই এসব নাম ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন।
৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ও অন্য তিন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কমিশনার শাহনেওয়াজের মেয়াদ শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, সিইসি হিসেবে যাঁকে বেছে নেওয়া হয়েছে, বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সুপারিশে সিইসি হিসেবে তাঁর নাম ছিল না।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সিইসি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে মাহবুব তালুকদারের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। আর সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম সিইসি হিসেবে সুপারিশ করেছিল আওয়ামী লীগ।
এর আগে সন্ধ্যায় অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা অবস্থানের পর তাঁরা বঙ্গভবন ছেড়ে যান। ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে রাজনৈতিক দল থেকে নেওয়া নাম থেকে ১০টি নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি। সুপারিশে সিইসি হিসেবে সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা ও আলী ইমাম মজুমদারের নাম সুপারিশ করে অনুসন্ধান কমিটি।
এ ছাড়া কমিশনার হিসেবে মাহবুব তালুকদার, জারিনা রহমান খান, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর নাম সুপারিশ করা হয়।
তাঁদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি পরবর্তী সিইসি ও ইসির সদস্য বেছে নেন।
উল্লেখ্য, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার পর তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সম্ভাব্য নির্বাচন কমিশনারদের নাম খুঁজতে গত ২৫ জানুয়ারি ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান করে এই কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মাসুদ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি শিরীণ আখতারকে। এ কমিটি প্রথম বৈঠকে বসে গত ২৮ জানুয়ারি। সরকারি প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সম্ভাব্য যোগ্য ব্যক্তিদের নামের তালিকা করার জন্য তাদের সময় বেঁধে দেওয়া হয় ১০টি কার্যদিবস।
সার্চ কমিটি ২৮ জানুয়ারি প্রথম বৈঠকে বসে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে। এরপর দুই ধাপে ১৬ জন বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের পরামর্শ শোনে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যোগ্য ব্যক্তিদের নাম আহ্ববান করে সার্চ কমিটি। দলগুলোও নাম প্রস্তাব করে। সেখান থেকে প্রথমে ২০ জনের ও পরে তা কমিয়ে ১০ জনের তালিকা করে সার্চ কমিটি।
