"চায়ে চিনির পরিমান যে কত বেশী তা শুধু ভাববার বিষয় নয় রীতিমত ভয়ের বিষয়"

"চায়ে চিনির পরিমান যে কত বেশী তা শুধু ভাববার বিষয় নয় রীতিমত ভয়ের বিষয়"
লিয়াকত খানঃ গত কয়েকদিন যাবৎ আমাকে যে ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশী ভাবিয়ে তুলেছে তাহলো চিনি। ঘরে-বাহিরে সব জায়গাতেই আপনাকে চা দ্বারা আপ্যায়ন করা হয় বা আপনাকে চা পান করতে হয়। কিন্তু এই চায়ে মিষ্টির পরিমান যে কত বেশী তা শুধু ভাববার বিষয় নয় রীতিমত ভয়ের বিষয়। তাই নিচের তথ্যভিত্তিক লেখাটি গুরত্ব সহকারে পড়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ রইলো- "ঘন চিনির নামে দেশের মানুষকে খাওয়ানো হচ্ছে বিষাক্ত রাসায়নিক ম্যাগনেসিয়াম সালফেট, সাইট্রিক এসিড ও সোডিয়াম সাইট্রেট। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের নমুনা পরীক্ষায় আমদানি নিষিদ্ধ অথচ বাজারজাত হচ্ছে এমন ঘন চিনিতে রাসায়নিক মিশ্রণের ভয়াবহ এ চিত্র ধরা পড়েছে। রিপোর্টে দেখা যায়, ১০০ গ্রাম ঘন চিনিতে (সোডিয়াম সাইক্লামেট) ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের পরিমাণ ১.৭২ শতাংশ ও সালফারের পরিমাণ ১৩.১২ শতাংশ, যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সাইট্রিক এসিডসহ আরও কয়েকটি রাসায়নিক নামে আমদানি হচ্ছে এই বিষ। এ বিষ মেশানো হচ্ছে মিষ্টি, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, বেভারেজ, জুস, চকলেট, কন্ডেন্সড মিল্কসহ আরও নানা খাদ্যে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন চিনির মধ্যে এসব রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রণ করার অর্থ হল, বিষের সঙ্গে বিষ মিশানো। যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই ভেজাল খাদ্য গ্রহণের কারণে ক্যান্সার, কিডনি বিকল, হজম শক্তি হ্রাসসহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার চরম ঝুঁকি রয়েছে।" তাই চা পান কিংবা মিষ্টি জাতীয় কিছু খাওয়ার পূর্বে একটি বার ভাবুন- আপনি জেনেশুনেই বিষ খাচ্ছেন আর নিজের মরন নিজেই ডেকে আনছেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post