নিউজ ডেস্কঃ কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি’র দু’গ্রুপ পেল কেন্দ্রিয় কাউন্সিলে অংশগ্রহণের সুযোগ। ৪ জনের স্থলে দু’গ্রুপে মিলে ৮ জন পেলেন কাউন্সিলর কার্ড। ফলে কোন কমিটি বৈধ? তা নিয়ে কুলাউড়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। আজ ১৯ মার্চ বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে অংশ নিতে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি’র দু’গ্রুপের উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র মোট ৮ জন কাউন্সিলর অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণপত্র (কার্ড) পেয়েছেন। কেন্দ্রিয় কাউন্সিলে অংশ নিতে দু’গ্রুপের নেতারা ঢাকায় রয়েছেন। কুলাউড়ার বিএনপি’র রাজনীতি মূলত দুই গ্রুপে বিভক্ত। একাংশ নিয়ন্ত্রণ করছেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি নাসের রহমানের অনুসারী। যার উপজেলা সভাপতি সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদ ও সম্পাদক এমএ মজিদ এবং পৌর বিএনপির সভাপতি শামীম আহমদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল আলম সোহেল দায়িত্ব পালন করছেন। আর বৃহৎ অপরাংশ নিয়ন্ত্রণ করছেন ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচিত সাবেক এমপি এমএম শাহীন।
এই অংশের উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু ও সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান খান এবং পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার মুহিবুর রহমান মলাই ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আব্দুল গফ্ফার চৌধুরী দায়িত্ব পালন করছেন। এই ৮ নেতাই পেয়েছেন কেন্দ্রিয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত কাউন্সিলর কার্ড। এছাড়া বিএনপি’র সাবেক এমপি ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে কাউন্সিলে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন সাবেক এমপি এমএম শাহীন।
এই অংশের উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু ও সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান খান এবং পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার মুহিবুর রহমান মলাই ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আব্দুল গফ্ফার চৌধুরী দায়িত্ব পালন করছেন। এই ৮ নেতাই পেয়েছেন কেন্দ্রিয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত কাউন্সিলর কার্ড। এছাড়া বিএনপি’র সাবেক এমপি ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে কাউন্সিলে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন সাবেক এমপি এমএম শাহীন।

