জ্যোৎস্না খানঃ খুবই অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছিল। আবেগ ছিল অনেক বেশী। অনেক কিছুই বুঝার ক্ষমতা রাখতাম না। জন্মদিন, বিয়েবার্ষিকী, ভেলেন্টাইনস ডে সব কিছুতেই জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে উপহার আশা করতাম। অবশ্য এখন বয়স বাড়ার সাথে সাথে জানার ও বুঝার পরিধি ব্যাপ্তি ঘটাতে এগুলোকে উৎসব হিসাবে উদযাপন করিনা বা কোন উপহারও আশা করি না।
একবার ভেলেন্টাইনস ডে তে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি,স্বামীর কাছ থেকে কিছু একটা উপহার পাব বলে। অন্যকিছু না হোক একটি লাল গোলাপতো দিবেনই। সারাদিন অপেক্ষার পর সন্ধ্যা হয়ে এলো কিন্তু কিছুই দিচ্ছেননা দেখে বেশ নিরাশ হয়ে পড়লাম। হঠাৎ উনি বাসায় এসে সোজা ড্রয়িংরুমে চলে গেলেন এবং সেখান থেকে আমার নাম ধরে জোরে-জোরে ডাকতে লাগলেন। ডাক শুনে আমি বেশ উৎফুল্ল হয়ে উঠলাম। ভাবলাম শেষ পর্য্যন্ত আমার গিফট এসে গেছে। আমি হাতের কাজ রেখে সেখানে হাজির হলাম। উনি পিছনে লুকিয়ে রাখা হাত দু-টি সামনে বাড়িয়ে দিলেন। কিন্তু আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না আমি কি দেখছি ! হাসবো না কাঁদবো কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। "এই নাও তোমার উপহার"বললেন তিনি। আমি খুবই আশাহত হয়ে সেটা গ্রহণ করলাম। আপনারা জানেনকি, সেটা কি উপহার ছিল ? সেটা ছিল একটি ফুল। তবে তাজা নয় একটি প্লাষ্টিকের লাল গোলাপ। সেদিন দোকানের সব তাজা ফুল বিক্রি হয়ে যাওয়াতে তিনি শেষ পর্য্যন্ত অনেক দোকান খোঁজ করে অবশেষে একটি প্লাষ্টিকের ফুল নিয়ে এসেছিলেন। ফুলটা প্রায় ১৫/১৬ বছর পুরোনো হয়ে গেছে কিন্তু আমি এখনও সযত্নে ঘরে রেখে দিয়েছি। হউক না সেটা প্লাষ্টিকের ফুল। তার সাথে জড়িয়ে আছে উনার সত্যিকারের ভালাবাসার প্রকাশ। উপহার দেওয়া ও নেওয়া বড় কথা নয়। একে অন্যের প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরী করাটাই আসল কথা। এখন আর ঐসব বিয়েবার্ষিকী, জন্মদিন, ভেলেন্টাইনস ডে পালন করিনা বা করার প্রতি কাউকে উৎসাহিত করিনা। মানুষকে ভালবাসতে হলে দিন,ক্ষণ,তারিখ ঠিক করতে হয়না। ঘটা করে এসবদিন পালন করে লোক দেখাতে হয়না বরং যাদের মধ্যে ভালবাসার অভাব তারাই লোক দেখানোর জন্য এসব করে। শিক্ষা, বিবেক, বুদ্ধি, সততা ও দক্ষতা নিয়েই সামনে এগোতে হয়, আবেগ দিয়ে নয়।
একবার ভেলেন্টাইনস ডে তে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি,স্বামীর কাছ থেকে কিছু একটা উপহার পাব বলে। অন্যকিছু না হোক একটি লাল গোলাপতো দিবেনই। সারাদিন অপেক্ষার পর সন্ধ্যা হয়ে এলো কিন্তু কিছুই দিচ্ছেননা দেখে বেশ নিরাশ হয়ে পড়লাম। হঠাৎ উনি বাসায় এসে সোজা ড্রয়িংরুমে চলে গেলেন এবং সেখান থেকে আমার নাম ধরে জোরে-জোরে ডাকতে লাগলেন। ডাক শুনে আমি বেশ উৎফুল্ল হয়ে উঠলাম। ভাবলাম শেষ পর্য্যন্ত আমার গিফট এসে গেছে। আমি হাতের কাজ রেখে সেখানে হাজির হলাম। উনি পিছনে লুকিয়ে রাখা হাত দু-টি সামনে বাড়িয়ে দিলেন। কিন্তু আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না আমি কি দেখছি ! হাসবো না কাঁদবো কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। "এই নাও তোমার উপহার"বললেন তিনি। আমি খুবই আশাহত হয়ে সেটা গ্রহণ করলাম। আপনারা জানেনকি, সেটা কি উপহার ছিল ? সেটা ছিল একটি ফুল। তবে তাজা নয় একটি প্লাষ্টিকের লাল গোলাপ। সেদিন দোকানের সব তাজা ফুল বিক্রি হয়ে যাওয়াতে তিনি শেষ পর্য্যন্ত অনেক দোকান খোঁজ করে অবশেষে একটি প্লাষ্টিকের ফুল নিয়ে এসেছিলেন। ফুলটা প্রায় ১৫/১৬ বছর পুরোনো হয়ে গেছে কিন্তু আমি এখনও সযত্নে ঘরে রেখে দিয়েছি। হউক না সেটা প্লাষ্টিকের ফুল। তার সাথে জড়িয়ে আছে উনার সত্যিকারের ভালাবাসার প্রকাশ। উপহার দেওয়া ও নেওয়া বড় কথা নয়। একে অন্যের প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরী করাটাই আসল কথা। এখন আর ঐসব বিয়েবার্ষিকী, জন্মদিন, ভেলেন্টাইনস ডে পালন করিনা বা করার প্রতি কাউকে উৎসাহিত করিনা। মানুষকে ভালবাসতে হলে দিন,ক্ষণ,তারিখ ঠিক করতে হয়না। ঘটা করে এসবদিন পালন করে লোক দেখাতে হয়না বরং যাদের মধ্যে ভালবাসার অভাব তারাই লোক দেখানোর জন্য এসব করে। শিক্ষা, বিবেক, বুদ্ধি, সততা ও দক্ষতা নিয়েই সামনে এগোতে হয়, আবেগ দিয়ে নয়।
