নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সমাবেশ করার জন্য ৬ শর্তে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং ডিএমপি। এ দু’দলের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। সমাবেশকে কেন্দ্র করে তৃতীয় পক্ষ যাতে সুযোগ নিতে না পারে সে ব্যাপারে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনীকে। ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ দিনটিকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ দিবস ও বিএনপি ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবস পালন উপলক্ষে সমাবেশ করছে।
বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও রাসেল স্কয়ারে আ’লীগের সমাবেশঃ গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আজ রাজধানীর দুটি স্পটে সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এবং রাসেল স্কয়ারে এ দুটি সমাবেশ হবে। জনদুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এর আগে ডিএমপি তাদের এ দুটি স্থানে সমাবেশের অনুমোদন দেয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলটিকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হয়। গতবছর থেকে ৫ জানুয়ারিকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় ও সংবিধান সুরক্ষা দিবস’ পালন করছে আওয়ামী লীগ। এবারও দিনটি পালনের লক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে সমাবেশ ও শোভাযাত্রার ঘোষণা দেয় শাসক দল। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়। কিন্তু বিএনপিও একই দিন, একই সময়ে সমাবেশ করতে চেয়ে আবেদন করলে ডিএমপি কাউকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেয়নি। এর পরিবর্তে ছয়টি শর্তসাপেক্ষে দু’দলকেই স্ব-স্ব কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়। আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, সমাবেশ দুটি স্থানে হলেও রাজধানী জুড়ে সতর্ক থাকতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তারা যথারীতি সতর্ক থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাড়া-মহল্লায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। দলীয় সূত্র আরও জানায়, দুটি সমাবেশেই ব্যাপক লোক সমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাদেরও দুই ভাগে ভাগ হয়ে এ দুটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বলা হয়েছে। নেতাকর্মীদের বাদ্য-বাজনা, ব্যানার-ফেস্টুনসহকারে সমাবেশে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে দিনটিকে উৎসবের আকারে পালন করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল।
পল্টনের সমাবেশে থাকবেন খালেদা জিয়াঃ দীর্ঘদিন পর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। এতে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। সমাবেশে ২০ দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত থাকতে পারে। ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবস পালনের জন্য দলটি এ সমাবেশের আয়োজন করেছে। রাজধানী ছাড়া সারা দেশেও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। অনুমতি পাওয়ার পর সোমবার রাতেই সমাবেশের মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সার্বিক প্রস্ততি তদারকির জন্য সেখানে ছুটে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের কর্মসূচি সফল করতে সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল। বৈঠকে মহানগরের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড নেতাদের দুপুরের মধ্যে সমাবেশস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়। অঙ্গসংগঠনগুলোও আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। ছাত্রদল, যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ব্যাপক লোকসমাগমের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শুধু ঢাকা মহানগর নয়, রাজধানীর আশপাশের জেলা থেকেও নেতাকর্মীদের সমাবেশে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
আজ সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশের ঘোষণা জামায়াতেরঃ ৫ জানুয়ারিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি কালো দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করে সব দলের অংশগ্রহণে দ্রুত নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আজ সারা দেশে মিটিং, মিছিল, সমাবেশ ও আলোচনা সভার মাধ্যমে কলংকিত ৫ জানুয়ারিকে একটি কালো দিবস হিসেবে পালন করতে নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এ আহ্বান জানান।
পল্টনের সমাবেশে থাকবেন খালেদা জিয়াঃ দীর্ঘদিন পর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। এতে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। সমাবেশে ২০ দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত থাকতে পারে। ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবস পালনের জন্য দলটি এ সমাবেশের আয়োজন করেছে। রাজধানী ছাড়া সারা দেশেও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। অনুমতি পাওয়ার পর সোমবার রাতেই সমাবেশের মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সার্বিক প্রস্ততি তদারকির জন্য সেখানে ছুটে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের কর্মসূচি সফল করতে সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল। বৈঠকে মহানগরের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড নেতাদের দুপুরের মধ্যে সমাবেশস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়। অঙ্গসংগঠনগুলোও আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। ছাত্রদল, যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ব্যাপক লোকসমাগমের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শুধু ঢাকা মহানগর নয়, রাজধানীর আশপাশের জেলা থেকেও নেতাকর্মীদের সমাবেশে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
আজ সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশের ঘোষণা জামায়াতেরঃ ৫ জানুয়ারিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি কালো দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করে সব দলের অংশগ্রহণে দ্রুত নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আজ সারা দেশে মিটিং, মিছিল, সমাবেশ ও আলোচনা সভার মাধ্যমে কলংকিত ৫ জানুয়ারিকে একটি কালো দিবস হিসেবে পালন করতে নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এ আহ্বান জানান।
