নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরের মধুপুর ফল্টে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে রাজধানী ঢাকায় ৭০ হাজারেরও বেশি ভবন ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সোসাইটির। সময় সংবাদকে এর পরিচালক বলেন, রাজধানীর ভবনগুলো বিল্ডিং কোড মেনে নির্মিত না হওয়াই এর কারণ। এ ক্ষেত্রে ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণের পরামর্শ তার। অন্যদিকে, বড় ধরনের ভূমিকম্প মোকাবিলার সামর্থ্য বাংলাদেশের নেই উল্লেখ করে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলছেন, এ জন্য সরকার ও দাতা সংস্থার অর্থায়নে ইতোমধ্যে বেশকয়েকটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। গত কয়েক বছরে এশিয়ায় ভূমিকম্প ও মাত্রা দুটোই বেড়েছে। আর ভূকম্পন অঞ্চল হিসেবে বিশ্বের ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি শহরের মধ্যে রাজধানী ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। ভূমিকম্পের দুর্যোগ ও ঝুঁকি সূচক জাতিসংঘের রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। দেশে অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিমত ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ আর্থকোয়াক সোসাইটির পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদেকের। তিনি বলেন, 'মধুপুর ফল্টে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকায় মাটির কম্পন একই রকম হবে। আর সেটা তীব্রতা হবে ৮। এই ধরণের একটা ভূমিকম্প হলে ৭২ হাজার ভবন ভেঙে পড়বে। ৮ তীব্রতা ধরে যদি ভবনগুলো নির্মাণ করা হয় তাহলে আমরা নিরাপদে থাকব।' তবে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলার জন্য এরই মধ্যে ২শ' কোটি টাকার প্রকল্পসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান। সরকারের প্রস্তুতির পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
