সংস্কারে উদ্যোগ নেই সিলেটে ঐতিহাসিক ঘড়ি ও কীন ব্রিজ

সংস্কারে উদ্যোগ নেই সিলেটে ঐতিহাসিক ঘড়ি ও কীন ব্রিজ
নিউজ ডেস্কঃ দীর্ঘ ২ বছর ধরে আলী আমজাদের ঘড়ির কাঁটা ৮টা ২০ মিনিটে আটকে আছে। সিলেটের প্রায় দেড়শ' বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই স্থাপনা রক্ষায় কর্তৃপক্ষ কার্যত নির্বিকার। এতে ক্ষুব্ধ নগরবাসী। এদিকে, ঘড়ির ওপরের নান্দনিক কীন ব্রিজের অবস্থাও করুণ। দ্রুত সংস্কার না করলে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা স্থপতিদের। ১৮৭৪ সালে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশার জমিদার আলী আমজদ খান সুরমা নদীর তীরে অনন্য সুন্দর ঘড়িটি নির্মাণ করেন। পরে তার পুত্র আলী আমজাদের নামে নামকরণ করা হয়ে ঘড়িটির। ঐতিহাসিক তথ্য মতে, সিলেট জেলাকে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি থেকে ১৮৭৪ সালে তৎকালীন আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর বিরুদ্ধে সিলেটের মানুষ তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে। এ অবস্থায় মানুষকে শান্ত করতে তৎকালীন বড়লাট লর্ড নর্থ ব্রুক সিলেট সফর করেন। তার সফর উপলক্ষে নবাব আলী আহমদ খান এটি নির্মাণ করেন। কিন্তু ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকায় ক্ষুব্ধ নগরবাসী।  ঘড়িটি মেরামতে প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা। সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবিব জানান, স্পন্সর খোঁজা হচ্ছে, না পেলে সংস্কার করবে সিটি করপোরেশন। এদিকে, ঘড়িটির মতো অচল না হলেও কীন ব্রিজের অবস্থা আরও করুণ। দ্রুত গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়ে সংস্কার না করলে ব্রিজের কাঠামোতে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে মনে করের লিডিং ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক স্থপতি রাজন দাস। আসামের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল কীনের নামে ১৯৩৬ সালে এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। সিলেটের অন্যতম দর্শনীয় স্টিলের এই ব্রিজটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৬ লাখ টাকা। সুত্রঃ সময় নিউজ

Post a Comment

Previous Post Next Post