পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ করে সিরিজ জয় টাইগারদের

পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ করে সিরিজ জয় টাইগারদের
পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ করে সিরিজ জয় টাইগারদের
আমিন জাহানঃ এমন বাঁধভাঙা আনন্দ। সিরিজ জয়ের পর এমন মুহুর্তের জন্যই তো অপেক্ষায় ছিলো টাইগাররা, অপেক্ষায় ছিলো পুরো জাতি। আর সৌম্যের সৌয্যদিপ্ত ব্যাটে চড়ে আবারো বাঘের গর্জনে কাঁপলো পুরো ক্রিকেট বিশ্ব। পাকিস্তানের অহংবোধ, গৌরব ও পরাক্রমশীলতা লুটিয়ে গেলো মিরপুরের মাটিতে। এ নিয়ে ১০ বারের মত কোনো সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার সামর্থ্য দেখালো মাশরাফিরা। কিন্তু এবারেরটা অন্যগুলোর চেয়ে বিশেষ। কারণ প্রতিপক্ষ যে পাকিস্তান। আর এই বাংলাদেশ দলটি গড়া অন্য ধাতুতে। যে দলটি অনেক পরিণত, প্রত্যয়ী। ইমরান খানের উত্তসূরীদের হোয়াইটওয়াশ করতে টাইগারদের প্রয়োজন ২৫১ রান। এর আগে ২৫০ বা তার বেশী রান তাড়া করে ৬ বার জয় পাওয়া টাইগারদের শুরুটা হয় সাবধানী। তবে পুরো সিরিজে নিষ্প্রভ সৌম্য, এদিন চেনালেন নিজেকে। ২২ গজে যত শট খেলা যায়, খেললেন তার সবগুলো। ফিফটি পূরণ করলেন মাত্র ৬৩ বলে। অন্যদিকে টানা তিন সেঞ্চুরির খোঁজে থাকা সৌম্য’র সঙ্গী তামিমও, তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি। কিন্তু পারেননি টানা তিন সেঞ্চুরি করতে। প্যাভিলিয়নে ফেরেন ৬৪ রান করে। অবশ্য তার আগেই তিন ম্যাচ সিরিজে ১ম বাংলাদেশি হিসেবে পূরণ করেন ৩০০ রান। এরপর রিয়াদ ফিরে যান ৪ রান করে। কিন্তু তামিমের সেঞ্চুরি না পাবার আক্ষেপ ঘুচিয়ে দেন সৌম্য। দারুণ প্রতিভাবান এই ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারের ১০ম ম্যাচে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। তাও মাত্র ৯৪ বলে। এরপর সৌম্য ও মুশফিক মিলে ছেলেখেলা করেছে পাকিস্তানি বোলারদের। শেষ পর্যন্ত সৌম্যের ৬ ছয়ে ১১০ বলে ১২৭ রান আর মুশফিকের ৪৯ রানে ইতিহাস রচনা করে টাইগাররা।এর আগে এ সিরিজে সংগ্রাম করতে থাকা পাকিস্তান ওপেনিংয়ে পায় ৯১ রান। সামি আসলাম ৪৫ রান এরপর হাফিজ দ্রুত ফিরলে দলের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়েছিলেন অধিনায়ক আজহার আলী। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিও করেছিলেন। তবে, টাইগার বোলারদের সামনে টিকেনি। শেষ দিকের ব্যাটসম্যানদের অসহায় আত্মসমর্পণে ২ উইকেটে ২০৩ রানের স্কোর থেকে পাকিস্তান অল আউট হয় ২৫০ রানে। যা বেশ হেসে খেলেই জয়ের সঙ্গে সিরিজটা ৩-০ করে ফেলে মাশরাফিরা

Post a Comment

Previous Post Next Post