![]() |
| সন্ন্যাসিনী গণধর্ষণের পর বিক্ষোভে উত্তাল ভারত |
নিউজ ডেস্কঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রানাঘাটে ৭২ বছর বয়সী খ্রীষ্টান সন্ন্যাসিনীকে (নান) গণধর্ষণের ঘটনায় গোটা ভারত বিক্ষোভে এখন উত্তাল। গত কয়েকদিনে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা গেছে, নারীর নিরাপত্তা দিতে ক্ষমতাসীনরা ব্যর্থ বলে স্লোগান তুলেছেন তারা। একইসঙ্গে এই ঘটনার জন্য বিজেপি ও তৃণমূলকে দায়ী করেছেন বিক্ষোভকারীরা। এদিকে এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনকে নোটিশ পাঠিয়েছে ভারতের ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন। বেশ কয়েক দিন হয়ে গেলেও ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে আটজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই নির্যাতিতাকে দেখতে ইতোমধ্যেই কলকাতা পৌঁছেছেন ভ্যাটিকানের এক যাজক এবং ভারতের প্রধান বিশপ। ঘটনা নিয়ে ক্ষমতাসীনরাও জড়িয়ে পড়েছেন কাদা ছোঁড়াছুড়িতে। তৃণমূল নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এজন্য বিজেপি-সিপিআইএমকে দায়ী করেছেন।গত সোমবার রানাঘাটে বিক্ষোভকারীদের ঘেরাওয়ের মুখে পড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এ কাজ সিপিএম এবং বিজেপির।’ দলের জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘যারা এটি ঘটিয়েছে, তৃণমূল তাদের সাংগঠনিকভাবে চিহ্নিত করে মোকাবিলা করবে।’এই ধর্ষণের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে না পারায় রাজ্য পুলিশের পক্ষে বলার মতো কিছু নেই। বরং, স্কুলের ভিতরে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ থেকে দুষ্কৃতদের ছবি পাওয়া সত্ত্বেও তদন্তের এই হাল কেন, তা নিয়ে জনরোষ ক্রমশ বাড়ছে।সোমবার রানাঘাটে গিয়ে যার আঁচ উপলব্ধি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। এই তদন্তে স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কলকাতার আর্চবিশপ টমাস ডি’সুজা। তার কথায়, ‘দুষ্কৃতদের কি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না? সমস্যাটা কী, প্রশাসন তাও জানাচ্ছে না।’ পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তো বটেই, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের অদক্ষতা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
