![]() |
| ইলা ক’দিন থাকব ! (কুলাউড়ার ফুটপাত) |
আব্দুল আহাদঃ "জাগাখান এখন খুব সুন্দর দেখার, মাইনসর আটাআটিত কোন অসুবিধা অরনা। রাস্তার গালা দিয়া নিরাই যাইরা এখন সব মানুষ। ইন এখন আর কোন গাড়িঘোড়ার ছিল্লানী নাই, দোকানদার অকলর ডাকাডাকি নাই। মনে অয় গাউর একটা পরিবেশ, উবাইয়া যেছার লগে মাতা যায় আরামছে।" কুলাউড়া থানার সামনে দাড়িয়ে একজন আরেকজনের সাথে এভাবে কথা বলছিলেন উপজেলার রাউৎগাঁওয়ের প্রবিণ ব্যাক্তি মো. সুরুক মিয়া এবং সাদিপুরের কৃষক ছওয়াব উল্লাহ। দু’জনের পাশে গিয়ে আলাপকালে পরিচয় পেয়ে ছওয়াব উল্লাহ অপকটে বলে উঠলেন “ইলা ক’দিন থাকব”। ছওয়াব উল্লাহ বলেন দেশ স্বাধীনের আগ থেকে তিনি কুলাউড়ায় আশা যাওয়া করছেন বিভিন্ন কারনে, অনেকবার দেখেছেন এ-রখম অভিযান। কয়েকদিন পরেই আবার যেই সেই। হে ছওয়াব উল্লাহ ঠিকই বলছেন এর আগেও একাধীকবার সরকারী জায়গায় পসরা সাজিয়ে যারা বসেছিলেন তাদেরকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল কিন্তু তা বেশিদিন থাকেনি। কয়েকদিন পরেই কারো না কারো সহযোগীতায় তারা আবারো বসতেন যথাস্থানে। এই ফুটপাতে বসে যারা ব্যবসা করেন তারা কেউই নিজে থেকে বসেন না। তাদের উপরেও কেউ আছে। যারা তাদেরকে এই অবৈধস্থানে বসে ব্যবসা করার পারমিট দেন। তাদের ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল আছে! কিন্তু একটি প্রশ্ন, কারা তাদেরকে এই অবৈধস্থানে বসিয়ে ভাড়া নেন? শুধু থানা ও স্মৃতিসৌধের সামনটি ফুটপাতমুক্ত নয়। পুরো শহরের রাস্তার দু’পাশ ফুটপাতমুক্ত হলে শহরের সুর্ন্দয্য আরও বৃদ্ধি হবে এবং যানবাহনসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে ফিরে আসবে নিরাপত্তা। লাগাতার যানঝট মুক্ত হবে কুলাউড়া শহর। একটি বাজারের আয়ত্বে আনা প্রয়োজন ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের । ফুটপাত ছাড়াও অবৈধ গাড়ি পার্কিং শহরে যানঝটের অন্যতম কারন বলে মনে করেন অনেকে।
ট্যাগ »
কুলাউড়া
