'স্মৃতিতে কুলাউড়া ডিগ্রী কলেজ ও সৃসাস'

এ কে এম জাবেরঃ সময়ের হাত ধরে এগিয়ে চলেছি অজানা গন্তব্যে। সুখ দুঃখের দোলাচলে সবার জীবনই দোদুল্যমান। তাই বলে অতীতের স্মৃতিগুলো কি ভুলে থাকা যায়, সেটা সুখের হউক বা দুঃখেরই হউক। তেমনি আমার স্মৃতিতে অম্লান হয়ে আছে প্রিয় ক্যম্পাস কুলাউড়া ডিগ্রী কলেজ। 


সময়টা ২০০২-০৩ সাল।  তারুন্যের উৎকৃষ্ট সময় পার করছি। জানা অজানা সবকিছু জয় করার নেশায় হৈ হূল্লোড় করে এগিয়ে চলেছি। সদ্য এস এস সি পাশ করে ভর্তি হলাম কুলাউড়া ডিগ্রী কলেজে। তুমুল উত্তেজনায় নবীনদের বরন করা হলো। কলেজে ভর্তি হয়েছি, আমরা এখন কলেজের স্টুডেন্ট, সে কি আনন্দ। অনেক স্কুলের অনেক ছাত্র ভর্তি হয়েছে। অনেকের সাথেই পরিচয় হলো। 


সময় গড়িয়ে যাচ্ছে অনেকের সাথে পরিচয়, বন্ধুত্ব হয়ে গেলো। একসাথে চলাফেরা, খেলাধুলা, গান বাজনা, ২০০৩ সালে কুলাউড়া ডিগ্রী কলেজে ইয়ারমিট বন্ধুদের নিয়ে সামাজিক সাংষ্কতিক সংগঠন 'সৃসাসে'র  আয়োজনে নাটক 'একজন কেরামত' মঞ্চস্ত করলাম। এই নাটক করতে গিয়ে আবার হাজারো স্মৃতি। রিহার্সেল রুমের হাসি কান্না সবকিছুই স্মর্তিতে ভাস্কর। রিহার্সেল রুমের কয়েকটি কমন ডায়লগের মধ্যে অন্যতম ছিলো * দুস্ত, কুদ্দুসরে বাদ দে *  * আমি যেতা করি ইতা শয়তানে চিন্তাউ করতে পারে না *  *ফুলজান তোমারে না পাইলে  আমি সারা গ্রামে কেরাসিন দিয়া আগুন ধরাই দিমু*


প্রিয় বন্ধু ইমাদের স্ক্রিপ্টে বড় ভাইদের সহযোগিতায় আমরা নাজমুল বারী সোহেল, এস আর সোহেল, রায়হান উদ্দিন, এ আর লিটু, হেলাল উদ্দিন আকাশ, তারেকুজ্জামান, কাশেম ভাই, অপু মামু সহ আরো অনেকেই এই মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছিলেন। নাটকটি অনেক প্রশংসিত হয়েছিল যার ফলে পরে আরো কয়েকবার মঞ্চায়িত করা হয়েছিল।  


অনেকের সহযোগিতা, উৎসাহ, উদ্দীপনায় আমরা মঞ্চায়িত করেছিলাম নাটক একজন কেরামত। আজও হৃদয়ের মনিকোঠায় ভেসে বেড়ায় কুলাউড়া ডিগ্রী কলেজের সেইসব স্মৃতিমাখা দিনগুলো। 

লেখকঃ 
- এ কে এম জাবের, সম্পাদক, প্রিয় কুলাউড়া

Post a Comment

Previous Post Next Post