মৌলভীবাজার: নির্বঘ্নে রেল চলাচলের নামে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ২৫ হাজারেরও অধিক গাছ কাটার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর প্রতিবাদে ’প্রাণ প্রকৃতির কবিতা পাঠ ও আলাপ’র আয়োজন করে প্রগতি লেখক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা শাখা।
রোববার রাতে মৌলভীবাজার শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি জয়নাল আবেদীন শিবু।
কবি জাবেদ ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় প্রাণ প্রকৃতির আলাপে স্বাগত বক্তব্য দেন কবি আহমদ আফরোজ। এর পর আলোচনায় অংশ নেন কবি সৈয়দ মোশাহিদ আহমদ চুন্নু, প্রাবন্ধিক গবেষক দীপংকর মোহান্ত, সাপ্তাহিক দেশপক্ষের সম্পাদক মৌসুফ এ. চৌধুরী, কবি জাহাঙ্গীর জয়েস, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ চৌধুরী, রেডিও পল্লীকণ্ঠের স্টেশন ম্যানেজার মেহেদী হাসান, সংগীত শিল্পী মীর ইউসুফ, যুব ইউনিয়নের আবু রেজা সিদ্দিকী ইমন, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কামরুল হাসান মিজু, পঙ্কজ সরকার, নাট্যকার সুশীল লীলা শুভ্র।
আলাপে বক্তারা বলেন-এমন একটা সময়ে একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গাছ কাটার উদ্যোগ আমাদের বিস্মিত, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত করেছে। করেছে বিক্ষুব্ধ। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের এক সমৃদ্ধ বর্ষাতি-বনভূমি। এটা শুধু এই দেশেরই সম্পদ না। অনেক বিরল প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য এটি বিশ্বেরও সম্পদ। যেখানে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কুঠার চালানোর কথা ভাবারই সুযোগ নেই। সেখানে রেলওয়ের এমন তৎপরতা পরিবেশের জন্য বড় এক হুমকি হয়ে ওঠেছে।
আমরা এই তৎপরতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও নিন্দা জানাই। আমাদের চোখের সামনেই রেলওয়ের অপার সম্ভাবনাকে ধ্বংস করা হয়েছে। রেলওয়ের অগ্রগতির খুব সামান্যই আমরা দেখতে পাই। রেলওয়ের উন্নয়ন করতে চাইলে বাধা দেবার কোনো কারণ নেই। কিন্তু সেটা কোনোভোবেই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানকে ক্ষত-বিক্ষত করে নয়। প্রয়োজনে বিকল্প স্থান দিয়ে ট্রেন লাইনের কথা ভাবতে হবে।
আমাদের সাফ কথা লাউয়াছড়াতে কুঠার চালানো যাবে না। পরিবেশ-ঐতিহ্যের অংশ অনেককিছুই আমরা রক্ষা করতে পারিনি। অন্তত যেটুকু আছে, তা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। লাউয়াছড়ার গাছ কাটার পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। আমাদের নিঃশ্বাসের এই বনভূমির কোনো ক্ষতি আমরা মেনে নিতে পারি না, মেনে নিব না।
পরে কবিতা পড়েন আহমদ আফরোজ, সুশীল লীলা শুভ্র, ডোরা প্রেন্টিস, দীপংকর দীপু, আল আমীন, সুনীল শৈশব।
রোববার রাতে মৌলভীবাজার শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি জয়নাল আবেদীন শিবু।
কবি জাবেদ ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় প্রাণ প্রকৃতির আলাপে স্বাগত বক্তব্য দেন কবি আহমদ আফরোজ। এর পর আলোচনায় অংশ নেন কবি সৈয়দ মোশাহিদ আহমদ চুন্নু, প্রাবন্ধিক গবেষক দীপংকর মোহান্ত, সাপ্তাহিক দেশপক্ষের সম্পাদক মৌসুফ এ. চৌধুরী, কবি জাহাঙ্গীর জয়েস, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ চৌধুরী, রেডিও পল্লীকণ্ঠের স্টেশন ম্যানেজার মেহেদী হাসান, সংগীত শিল্পী মীর ইউসুফ, যুব ইউনিয়নের আবু রেজা সিদ্দিকী ইমন, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কামরুল হাসান মিজু, পঙ্কজ সরকার, নাট্যকার সুশীল লীলা শুভ্র।
আলাপে বক্তারা বলেন-এমন একটা সময়ে একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গাছ কাটার উদ্যোগ আমাদের বিস্মিত, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত করেছে। করেছে বিক্ষুব্ধ। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের এক সমৃদ্ধ বর্ষাতি-বনভূমি। এটা শুধু এই দেশেরই সম্পদ না। অনেক বিরল প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য এটি বিশ্বেরও সম্পদ। যেখানে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কুঠার চালানোর কথা ভাবারই সুযোগ নেই। সেখানে রেলওয়ের এমন তৎপরতা পরিবেশের জন্য বড় এক হুমকি হয়ে ওঠেছে।
আমরা এই তৎপরতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও নিন্দা জানাই। আমাদের চোখের সামনেই রেলওয়ের অপার সম্ভাবনাকে ধ্বংস করা হয়েছে। রেলওয়ের অগ্রগতির খুব সামান্যই আমরা দেখতে পাই। রেলওয়ের উন্নয়ন করতে চাইলে বাধা দেবার কোনো কারণ নেই। কিন্তু সেটা কোনোভোবেই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানকে ক্ষত-বিক্ষত করে নয়। প্রয়োজনে বিকল্প স্থান দিয়ে ট্রেন লাইনের কথা ভাবতে হবে।
আমাদের সাফ কথা লাউয়াছড়াতে কুঠার চালানো যাবে না। পরিবেশ-ঐতিহ্যের অংশ অনেককিছুই আমরা রক্ষা করতে পারিনি। অন্তত যেটুকু আছে, তা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। লাউয়াছড়ার গাছ কাটার পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। আমাদের নিঃশ্বাসের এই বনভূমির কোনো ক্ষতি আমরা মেনে নিতে পারি না, মেনে নিব না।
পরে কবিতা পড়েন আহমদ আফরোজ, সুশীল লীলা শুভ্র, ডোরা প্রেন্টিস, দীপংকর দীপু, আল আমীন, সুনীল শৈশব।