স্টাফ রিপোর্টারঃ
আজ শনিবার দেশব্যাপী চালানো হচ্ছে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। দেশে শিশু
মৃত্যু হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ২ কোটির বেশি
শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়াতে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হবে।
এদিন সারাদেশে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের প্রত্যেককে একটি করে নীল রঙের
ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল
রঙের ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক একথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় , নিয়মিত ক্যাম্পেইনের কারণে দেশে রাতকানা ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল কেবল অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে না এটি শিশু মৃত্যুর হারও কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ডায়রিয়ার মাত্রা ও জটিলতা কমায়। সম্মেলনে শিশুদের পিতামাতাকে তাদের শিশুদের ক্যাম্পইন সেন্টারে নিয়ে আশার অনুরোধ জানানো হয় ।
সম্মেলনে বলা হয় , যেসব শিশুদের বয়স ৬ মাস হবে তাদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য জনগণকে উৎসাহিত করতে এদিন লোকদের মধ্যে ঘরে তৈরি সুষম খাবার বিতরণ করা হবে। দেশব্যাপী ১.২০ লাখ স্থায়ী কেন্দ্র এবং ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ সেন্টার থেকে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন। কেন্দ্রগুলো সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো বাসস্টপ, বিমানবন্দর ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং অন্যান্য পরিবহন কেন্দ্রে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব পালন করবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় , নিয়মিত ক্যাম্পেইনের কারণে দেশে রাতকানা ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল কেবল অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে না এটি শিশু মৃত্যুর হারও কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ডায়রিয়ার মাত্রা ও জটিলতা কমায়। সম্মেলনে শিশুদের পিতামাতাকে তাদের শিশুদের ক্যাম্পইন সেন্টারে নিয়ে আশার অনুরোধ জানানো হয় ।
সম্মেলনে বলা হয় , যেসব শিশুদের বয়স ৬ মাস হবে তাদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য জনগণকে উৎসাহিত করতে এদিন লোকদের মধ্যে ঘরে তৈরি সুষম খাবার বিতরণ করা হবে। দেশব্যাপী ১.২০ লাখ স্থায়ী কেন্দ্র এবং ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ সেন্টার থেকে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন। কেন্দ্রগুলো সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো বাসস্টপ, বিমানবন্দর ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং অন্যান্য পরিবহন কেন্দ্রে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব পালন করবে।
