স্পোর্টস ডেস্কঃ
পরিকল্পনা ছিল ১৩ জুলাই ইংল্যান্ড যাবেন। খেলবেন ১৫ জুলাইর ম্যাচটি;
কিন্তু ভিসা জটিলতার কারণে ১৩ তারিখের জায়গায় বিলম্ব হলো প্রায় এক সপ্তাহ।
অবশেষে মোস্তাফিজ ইংল্যান্ড রওয়ানা হলেন আজ সকাল সোয়া ১০টায়। প্রায় ১১
ঘণ্টার বিমান ভ্রমণ। এরপর স্থানীয় সময় বিকাল তিনটায় (বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া
৯টার দিকে) লন্ডন গিয়ে পৌঁছাবেন তিনি।
কাউন্টিতে
মোস্তাফিজের দল সাসেক্সের আগামী ম্যাচ ২১ জুলাই এসেক্সের বিপক্ষে,
চেমসফোর্ডে। দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি দুর করে একদিন পরই এই ম্যাচে খেলতে
নামতে পারবেন কি না মোস্তাফিজ- তা এখনই নিশ্চিত নয়। তবে সাসেক্সের পক্ষ
থেকে নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে- ২১ জুলাই’ই প্রথম মাঠে নামছেন তিনি।
মোস্তাফিজের
আগমনে তারা যে উচ্ছ্বসিত, সেটা জানিয়ে সাসেক্স তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে
লিখেছে, ‘বাংলাদেশি এই ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট এবং রয়্যাল লন্ডন
ওয়ানডে কাপের বাকি ম্যাচগুলোর সবগুলোতেই খেলবেন।’
ন্যাটওয়েস্ট
টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে সাউথ গ্রুপের ৯ দলের মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে
সাসেক্স। ১১টি ম্যাচ ইতিমধ্যে তারা খেলে ফেলেছে। পয়েন্ট মাত্র ১০। অথ্যাৎ
টি-টোয়েন্টিতে সাসেক্সের অবস্থা যে খুব বেশি ভালো না, সেটা বলাই বাহুল্য।
আর মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন কাটার মাস্টার। এই তিন ম্যাচে কী
তিনি পারবেন, সত্যি সত্যি তার দলকে একটা অবস্থানে তুলে আনতে!
আপাতত
সে সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। বাকি তিন ম্যাচের প্রতিটিতেই যদি সাসেক্স জয় পায়
এবং এবং পাশাপাশি অন্য দলগুলো খারাপ করে, তাহলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার
সম্ভাবনা তৈরী হতেও পারে তাদের। মোস্তাফিজ যদি কোন ম্যাজিক দেখিয়েই ফেলেন-
তাহলে সেটা সম্ভব সাসেক্সের।
তবে
রয়্যাল লন্ডন ওয়ানডে কাপে আরও খারাপ অবস্থা সাসেক্সের। ইতিমধ্যে ৪টি ম্যাচ
খেলেছে তারা। এর মধ্যে জিতেছে মাত্র একটিতে। অর্জন মাত্র ২ পয়েন্ট। আর
বাকি ৩ ম্যাচ। এই তিন ম্যাচের যদি সবগুলোতেই জিততে পারে মোস্তাফিজের দল,
তাহলে দল হয়তো ভালো কিছু করতে পারে।
