নিউজ ডেস্কঃ বিশ্ব বরণ্য জিন বিজ্ঞানী কুলাউড়ার কৃতি সন্তান ড. আবেদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ১২ প্রবাসীকে সংবর্ধনা দিল কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ। ১৩ মার্চ রবিবার বিকাল ৩টার দিকে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে তাদেরকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক হাবিবুর রহমান ফজলু ও সাইদুল হাসান সিপনের যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত ব্যাক্তি জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংবর্র্ধিত ব্যাক্তি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা সাইফুল ইসলাম রহিম, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নারী নেত্রি নেহার বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ফজলুল হক খান সাহেদ, কুলাউড়া পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল ইসলাম এনাম, সাপ্তাহিক কুলাউড়ার সংলাপ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক প্রভাষক সিপার উদ্দিন আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যাক্তিরা হলেন জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার 2এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদ সাইফুল ইসলাম রহিম, যুক্তরাষ্ট প্রবাসী এনামুল ইসলাম এনাম, যুক্তরাজ্য কমিউনিটি নেতা মোস্তফা আব্দুল মালিক, আলআইন মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মাষ্টার শামছুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান ফজলু, আল আইন মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাজহারুল ইসলাম হিরণ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুস সালাম, কাতার প্রবাসী হোসেন আহমদ, আল আইন মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য ফয়সল উর রহমান সুমন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী মাসুক আহমদ, ফ্রান্স প্রবাসী সাংবাদিক লুৎফুর রহমান বাবু প্রমুখ।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি ড. আবেদ চৌধুরী বলেন, তিনি বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে অবস্থান করে ধান নিয়ে গবেষনার বাইরেও এলাকার শিক্ষা, সংস্কৃতি, দক্ষতা বৃদ্ধি, সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিকে কাজ করে চলেছেন। কিভাবে দেশীয় ধান সংরক্ষণ করা যায়, বিলুপ্তপ্রায় ধান খুঁজে বের করা ও দেশীয় ধান থেকে কোন প্রকার হাই ব্রিড পদ্ধতিতে না গিয়ে ব্রিডিং করে নতুন ধান উদ্ভাবনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশী-বিদেশী সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন। অনুষ্টান শেষে সংবর্ধিত অতিথিদের হাতে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি ড. আবেদ চৌধুরী বলেন, তিনি বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে অবস্থান করে ধান নিয়ে গবেষনার বাইরেও এলাকার শিক্ষা, সংস্কৃতি, দক্ষতা বৃদ্ধি, সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিকে কাজ করে চলেছেন। কিভাবে দেশীয় ধান সংরক্ষণ করা যায়, বিলুপ্তপ্রায় ধান খুঁজে বের করা ও দেশীয় ধান থেকে কোন প্রকার হাই ব্রিড পদ্ধতিতে না গিয়ে ব্রিডিং করে নতুন ধান উদ্ভাবনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশী-বিদেশী সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন। অনুষ্টান শেষে সংবর্ধিত অতিথিদের হাতে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।
