স্পোর্টস ডেস্কঃ আজ ব্যাঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে বোলিং ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বোলিং মান সম্পন্ন হলেও ফিল্ডিংয়ে দুর্বলতা ছিল চোখে পড়ার মত। একের পর এক ফিল্ডিং মিসের পর ছেড়েছেন একাধিক সহজ ক্যাচ। অনেকেই বলছেন ম্যাচের আগে তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানিকে হারানোর ধাক্কাটা সামলে উঠতে পারেনি বলে মাঠে ফিল্ডিং ছিল ছন্নছাড়া। আর তার ফলাফল হিসাবে সেমিফাইনালের পথ অনেক কঠিন করে ফেলেছে বাংলাদেশ। কিন্তু তারপরও সবদিক দিয়ে দিশেহারা বাংলাদেশ, সেমির আশা বাচিঁয়ে রাখতেই টিম ইন্ডিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে। অথচ এশিয়া কাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসের ভান্ডারটা ভরপুরই ছিলো বাংলাদেশের। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে দাপট দেখিয়েই মূলপর্ব নিশ্চিত করে সে ধারা ধরে রেখেছিল তারা; কিন্তু হঠাৎ করেই দুটি ধাক্কায় কেমন যেন সব এলোমেলো হয়ে গেল। ২০১৫-এর ১৯ মার্চের পর ২০১৬-এর ১৯ মার্চও স্তব্ধ করে দেয় বাংলাদেশকে। সেবার মেলবোর্নে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আম্পায়াররা তিনটি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেয় টাইগারদের। এবার জয়ের মূলমন্ত্র টিম স্পিরিটটাই যেন কেড়ে নিয়েছে মোড়লদের অধিনস্ত আইসিসি। তবে নিজেদের ফিরে পেতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মাশরাফিরা। একইসঙ্গে জয়ের জন্য মরিয়া বাংলাদেশের প্রথম টার্গেটই হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া।
মুখোমুখি লড়াইয়ে ভারতের চেয়ে দারুণ পিছিয়ে বাংলাদেশ। ওয়ানডে ম্যাচে ৫টি জয় থাকলেও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এখনও তাদের হারাতে পারেনি টাইগাররা। চারবারের মোকাবেলায় চারবারই হেরেছে তারা। তবে সাকিবরা জ্বলে উঠলে এ ইতিহাস বদলে দেয়া তেমন কঠিন কিছু নয় টাইগারদের জন্য। দলের ব্যাটসম্যানরা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। মুস্তাফিজ ফিরে আসায় ধার বেড়েছে বোলিংয়ে। ফিল্ডিংটা স্বাভাবিক রাখতে পারলে জোড় লড়াই হবে ব্যাঙ্গালুরুর মাঠে। আর টেস্ট স্ট্যাটাস পাবার পর এবারই প্রথম ভারতের মাটিতে খেলার সুযোগটা জয় দিয়েই স্মরণীয় করে রাখতে পারে মাশরাফিরা।
মুখোমুখি লড়াইয়ে ভারতের চেয়ে দারুণ পিছিয়ে বাংলাদেশ। ওয়ানডে ম্যাচে ৫টি জয় থাকলেও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এখনও তাদের হারাতে পারেনি টাইগাররা। চারবারের মোকাবেলায় চারবারই হেরেছে তারা। তবে সাকিবরা জ্বলে উঠলে এ ইতিহাস বদলে দেয়া তেমন কঠিন কিছু নয় টাইগারদের জন্য। দলের ব্যাটসম্যানরা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। মুস্তাফিজ ফিরে আসায় ধার বেড়েছে বোলিংয়ে। ফিল্ডিংটা স্বাভাবিক রাখতে পারলে জোড় লড়াই হবে ব্যাঙ্গালুরুর মাঠে। আর টেস্ট স্ট্যাটাস পাবার পর এবারই প্রথম ভারতের মাটিতে খেলার সুযোগটা জয় দিয়েই স্মরণীয় করে রাখতে পারে মাশরাফিরা।
