নিউজ ডেস্কঃ যোগাযোগ ব্যবস্থার শোচনীয় অবস্থার কারণে সিলেট অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে পর্যটন শিল্পে। এ কারণে ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি, পান্তুমাই, রাতারগুল, জাফলং কিংবা মাধবকুণ্ডের মতো অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রগুলো পিছিয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের শীর্ষ প্রকৌশলী শোনালেন আশার বাণী। ঝুঁকিপূর্ণ এবং ভয়াবহ বিপর্যস্ত সড়ক পাড়ি দিয়েই পর্যটকদের যেতে হয় প্রকৃতির কাছাকাছি জাফলং পর্যটন কেন্দ্রে। নীল আকাশের সাথে সবুজ পাহাড়ের মিতালী আর পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ পানির সাথে পাথরের মাখামাখি একমাত্র জাফলং পর্যটন কেন্দ্রেই দেখা মেলে। তাই প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমান এখানে। কিন্তু সড়কগুলোর বেহাল দশায় বেড়াতে এসে পর্যটকরা পড়ছেন চরম বিপাকে। এ কারণে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটক কমে যাচ্ছে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। একই অবস্থা সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়কেরও। এ অবস্থায় সিলেট অঞ্চলের সড়ক ও মহাসড়ক উন্নয়নে মহা-পরিকল্পনার কথা জানালেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের সিলেট অঞ্চলের শীর্ষ প্রকৌশলী চন্দন কুমার বসাক। তিনি বলেন, 'ছয় থেকে সাতটি পয়েন্টে একটু খারাপ আছে। যেটা আমরা মেরামত করে চালু রেখেছি। সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ রাস্তাটি এডিবি'র প্রকল্পভুক্ত হয়েছে। এটা আমরা সামনের মাসের মধ্যেই টেন্ডার করে দেব।' সিলেট-জাফলং সড়কের ৫৮ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬ কিলোমিটার, সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়কের ৩৬ কিলোমিটারের মধ্যে ২০ কিলোমিটার এবং মাধবকুণ্ড পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের ৮ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দকে অনেকটা চলাচলের অনুপযোগী।



