নিউজ ডেস্কঃ চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে, সকল রোগ প্রতিরোধে কাগজি লেবু অতুলনীয়। সকালে গরম পানির সঙ্গে লেবু মিশিয়ে পান করার অভ্যাস তাই বাড়ছে পশ্চিমাদের মধ্যে। তবে, নিউইয়র্কের কাঁচাবাজারে লেবুর চাহিদা বাড়লেও বাড়েনি লেবুর দাম। অন্যদিকে, প্রবাসী বাঙালিদের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই আলাদা। কারণ, প্রবাসে থেকেও প্রায় সারা বছরই মনে প্রাণে বাঙালি তারা। মাছে ভাতে বাঙালি, প্রবাসেও ধরে রেখেছে সে ধারা। দেশ ছেড়ে গিয়ে সেই বাঙালিত্ব যেনো আর বেশি করে পেয়ে বসে মাতৃভূমির জন্য। তাই চাই বাঙালি মুখরোচক খাবার। আর এ কারণে ধীরে ধীরে প্রসার ঘটছে বাংলাদেশি মুদি ব্যবসারও। বাংলাদেশি প্রায় সব ধরনের খাবারই মিলছে প্রবাসের এসব দোকানে। বাঙালি রসনা তৃপ্তিতেও তাই কমতি নেই কারো। ঘরে দেশি রান্নার স্বাদ পেতে মিলছে খাঁটি দেশি উপকরণ। সেই সঙ্গে আছে সব ধরনের শাক সবজি, শুটকি থেকে শুরু করে কাঁঠালের বীচি পর্যন্ত প্রায় সবকিছুই। তবে, এতকিছুর পরও বাজারে কাগজি লেবুর কদর অন্যসব কিছুর চেয়ে একটু বেশিই ক্রেতারা বলেন, 'লেবুর দাম বেশি হলেও আমরা কিছু মনে করি না। কারণ লেবুতে স্বদেশী একটা স্বাদ পাওয়া যায়।' নিউইয়র্কের বাংলাদেশি গ্রোসারিগুলোতে বড় আকারের একটি ইলিশের দাম পাউন্ড প্রতি ১৪ থেকে ১৬ ডলার। কিন্তু সেই ইলিশকেও ছাড়িয়ে গেছে দেশি জাতের লেবুর দাম। বিক্রেতারা বলেন, 'বাংলাদেশি লেবুর চাহিদা একটু বেশি। যার কারণে দামও বেশি। বাংলাদেশিরা প্রথমে এটা নিয়ে আসে। এখন আমেরিকার বিভিন্ন শহরে এ লেবু পাওয়া যায়।' এসব লেবু যে সবসময়ই দেশ থেকে আসে তা নয়। বাজারে স্থানীয় লেবু পাওয়া গেলেও দেশি লেবুর চাহিদা সবসময়ই বেশি। কেবল ফেব্রুয়ারি মাস নয়, প্রবাসী বাংলাদেশিরা মনে প্রাণে বাঙালি সারা বছরই। আর বাঙালিত্বকে খুঁজে পেতেই যেন লেবুর এই কদর।
