নিউজ ডেস্কঃ প্রবাসী ও পর্যটন অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে শীত মৌসুমে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও দেশের নানা জায়গার ডাকাতরা এখানে এসে ডাকাতি করে। চলে আসা এ প্রতা প্রতিরোধে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা রাখে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ কম থাকায় ডাকাত প্রতিরোধে নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। “পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম”। ডাকাতি প্রতিরোধে এমন একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সফল হবে বলে প্রত্যাশা রাখছেন এর পরিকল্পনাকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ পিপিএম (বার)। জেলা পুলিশের অফিস সুত্রে জানা যায় প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের জনবল কম। তাই পুলিশ সুপারের এমন উদ্যোগ। ১৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে এই কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় পাহারায় থাকা পুলিশ সদস্য ও সাধারণ জনগন অনুপ্রাণিত হন।

পরিদর্শন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আরিফুল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু নাসের মোহাম্মদ রিকাবদার,সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াছিনুল হক, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) পরিমল দেব, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) বদিউজ্জামান। স্ব স্ব এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নানা বয়সের লোকজন। ওই সময় দেখা মেলে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে মোড়ে ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশ-জনতা মিলে পাহারা দিচ্ছেন। এই উদ্যোগে নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ পিপিএম (বার) গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন আমাদের জনবল,লজিস্টিক সার্পোট ও আর্থিক সক্ষমতা কম। বর্তমান সরকার কর্তৃক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে বাংলাদেশ এখন প্রতি ৮শ জনগণের জন্য একজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। সহজেই প্রতীয়মান এখনো পুলিশ জনগণের অনুপাত অনেক কম। এদুটি সক্ষমতা কে বিবেচনায় নিলে অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে জনগণের সহযোগিতার কোন বিকল্প নেই। এ প্রেক্ষাপটে মৌলভীবাজারে অপরাধ দমনে পুলিশ জনতার যৌথ প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছ। পুলিশ সুপার বলেন আমরা আশাবাদি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় ডাকাতিসহ সকল অপরাধ দমনে সচেষ্ঠ হবো। 

Post a Comment

 
Top