অনলাইন ডেস্কঃ এক মাস হয়ে গেলো করোনাভাইরাসে চীনে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। শেষবার ১৪ এপ্রিল দেশটিতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।
জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন শুক্রবার নতুন করে চারজনের দেহে ভাইরাস শনাক্ত করেছে। সব স্থানীয় এছাড়া দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ ঠেকাতে করোনার উৎপত্তিস্থল উহানের সব বাসিন্দাদের পরীক্ষা শুরু করেছে সরকার।
কোভিড-১৯ রোগে এখন মাত্র ৯১ জন চিকিৎসাধীন এবং আইসোলেশন ও নজরদারিতে আছেন ৬১৩ জন। উপসর্গহীন পজিটিভ রোগী নতুন করে পাওয়া গেছে ১১ জন।
চীনে মোট ৪ হাজার ৬৩৩ জনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে, আর আক্রান্ত হয়েছে ৮২ হাজার ৯৩৩ জন।
করোনার সংক্রমণ কমলেও চীনে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা হচ্ছে এবং দেশে সব বিদেশিদের ঢোকা নিষিদ্ধ করেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি সচলে তারা সব বড় ফ্যাক্টরি ও ছোটখাটো ব্যবসা চালু করেছে। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সব আয়োজন করছে চীন।
জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন শুক্রবার নতুন করে চারজনের দেহে ভাইরাস শনাক্ত করেছে। সব স্থানীয় এছাড়া দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ ঠেকাতে করোনার উৎপত্তিস্থল উহানের সব বাসিন্দাদের পরীক্ষা শুরু করেছে সরকার।
কোভিড-১৯ রোগে এখন মাত্র ৯১ জন চিকিৎসাধীন এবং আইসোলেশন ও নজরদারিতে আছেন ৬১৩ জন। উপসর্গহীন পজিটিভ রোগী নতুন করে পাওয়া গেছে ১১ জন।
চীনে মোট ৪ হাজার ৬৩৩ জনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে, আর আক্রান্ত হয়েছে ৮২ হাজার ৯৩৩ জন।
করোনার সংক্রমণ কমলেও চীনে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা হচ্ছে এবং দেশে সব বিদেশিদের ঢোকা নিষিদ্ধ করেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি সচলে তারা সব বড় ফ্যাক্টরি ও ছোটখাটো ব্যবসা চালু করেছে। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সব আয়োজন করছে চীন।
