বিশেষ প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সরকারের নির্দেশে সবধরনের মানুষ বাড়িতে অবস্থান করছেন। এমনকি দিন এনে দিন খাওয়া গরিব-অসহায় মানুষগুলো যখন বাধ্য হয়েই ঘরে থাকছেন, তখন 'মানবতার ফেরিওয়ালা' হয়ে ঘরে ঘরে ছুটে চলেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া নায়েক কুলাউড়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মো.সফি আহমদ। তার কাছে আইন,শৃঙ্খলা মানবতা আর মমতাই জীবনের এক নিদর্শন । ব্যক্তি জীবনে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের এক জন সদস্য। কাজ করছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া নায়েক হিসেবে। এরপর থেকেই নিজেকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত করে অন্যের সুখ-দুঃখের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেন।
করোনাভাইরানে কারণে এই দেশের গরিব অসহায় মানুষদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে । ফলে অনেকের ঘরে দেখা দিয়েছে খাবারের অভাব । আবার অনেকে একবেলা খাবার পেলেও পরের বেলা কি খাবে তা ভাবছেন তাদের এই ভাবনা দুর করেত সাধ্যমত প্রতিদিন কাজ শেষে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে কিছু খাদ্য সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন সফি ।
জানা যায়, বিগত প্রায় ১২/১৪ দিন থেকে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গরিব অসহায় মানুষদের খোঁজ নিয়ে দিনে অথবা রাতের অন্ধকারে মোটরসাইকেল দিয়ে খাবার পৌঁছে দেন সফি। বেতনের সীমিত অর্থ থেকে যতটুকু বাঁচে সেইটুকু দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। তার এমন কার্যক্রম দেখে এগিয়ে এসেছেন বন্ধু বান্ধবসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এর মধ্যে প্রশংসায় ভাসছেন সফি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, সফি আমার ছোট ভাইয়ের মতো। আমি যখন থেকে ছিনি, তখন থেকে দেখে আসছি মানুষের বিপদে আপদে সব সময় পাশে থাকে সে। গত কিছু দিন আগেও তার সাথে দেখা হয়েছে সেই দিন দেখি মোটরসাইকেল নিয়ে মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। আমার জানামতে তার নিজের বেতনের টাকা দিয়ে মানবতার কাজ করছে। এদিকে খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৫ কেজি চাল, ২ লিটার তেল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি পিয়াজ, ২ কেজি আলু ও সাবান।
এব্যাপারে মো.সফি আহমদ বলেন, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে সিলেট জেলা লকডাউনে গৃহে অন্তরীণ কর্মহীন খেটে খাওয়া গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের বিত্তবানদের দায়িত্ব। আমি আমার নিজের অবস্থান থেকে প্রতিদিন অসহায় মানুষদের খাবার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। আমার এই কাজের অনুপ্রেরণা আসে যখন দেখি অসহায় মানুষদের মুখে একটু হাসি। সরকার যেভাবে এগিয়ে এসেছে সে জন্য তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ত্রাণ কার্যক্রম আরো বেগবান করার জন্য তিনি সরকার ও দেশের বিত্তবানদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। কোন গরিব মানুষ যাতে খাদ্যাভাবে কষ্ট না পায় তার জন্য সরকারকে যথাযথ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমার ডাকে যারা এগ্রিয়ে এসেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ ।
উল্লেখ্য মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ ইদ্রিস আলী সাবেক পুলিশ সদস্যের পরিবারের ৫ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে সব ছোট ছেলে মোঃ শফি আহমদ। কুলাউড়া নবীন চন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, কুলাউড়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং সিলেট মদন মোহন কলেজ থেকে বিবিএ, এমবিএ শেষ করে এখন বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত রয়েছেন।
করোনাভাইরানে কারণে এই দেশের গরিব অসহায় মানুষদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে । ফলে অনেকের ঘরে দেখা দিয়েছে খাবারের অভাব । আবার অনেকে একবেলা খাবার পেলেও পরের বেলা কি খাবে তা ভাবছেন তাদের এই ভাবনা দুর করেত সাধ্যমত প্রতিদিন কাজ শেষে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে কিছু খাদ্য সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন সফি ।
জানা যায়, বিগত প্রায় ১২/১৪ দিন থেকে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গরিব অসহায় মানুষদের খোঁজ নিয়ে দিনে অথবা রাতের অন্ধকারে মোটরসাইকেল দিয়ে খাবার পৌঁছে দেন সফি। বেতনের সীমিত অর্থ থেকে যতটুকু বাঁচে সেইটুকু দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। তার এমন কার্যক্রম দেখে এগিয়ে এসেছেন বন্ধু বান্ধবসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এর মধ্যে প্রশংসায় ভাসছেন সফি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, সফি আমার ছোট ভাইয়ের মতো। আমি যখন থেকে ছিনি, তখন থেকে দেখে আসছি মানুষের বিপদে আপদে সব সময় পাশে থাকে সে। গত কিছু দিন আগেও তার সাথে দেখা হয়েছে সেই দিন দেখি মোটরসাইকেল নিয়ে মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। আমার জানামতে তার নিজের বেতনের টাকা দিয়ে মানবতার কাজ করছে। এদিকে খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৫ কেজি চাল, ২ লিটার তেল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি পিয়াজ, ২ কেজি আলু ও সাবান।
এব্যাপারে মো.সফি আহমদ বলেন, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে সিলেট জেলা লকডাউনে গৃহে অন্তরীণ কর্মহীন খেটে খাওয়া গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের বিত্তবানদের দায়িত্ব। আমি আমার নিজের অবস্থান থেকে প্রতিদিন অসহায় মানুষদের খাবার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। আমার এই কাজের অনুপ্রেরণা আসে যখন দেখি অসহায় মানুষদের মুখে একটু হাসি। সরকার যেভাবে এগিয়ে এসেছে সে জন্য তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ত্রাণ কার্যক্রম আরো বেগবান করার জন্য তিনি সরকার ও দেশের বিত্তবানদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। কোন গরিব মানুষ যাতে খাদ্যাভাবে কষ্ট না পায় তার জন্য সরকারকে যথাযথ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমার ডাকে যারা এগ্রিয়ে এসেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ ।
উল্লেখ্য মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ ইদ্রিস আলী সাবেক পুলিশ সদস্যের পরিবারের ৫ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে সব ছোট ছেলে মোঃ শফি আহমদ। কুলাউড়া নবীন চন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, কুলাউড়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং সিলেট মদন মোহন কলেজ থেকে বিবিএ, এমবিএ শেষ করে এখন বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত রয়েছেন।
