নিউজ ডেস্কঃ কুলাউড়ায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এক পৌর যুবলীগ নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে প্রতিপক্ষরা। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় গাজীপুর বাজারে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষ দূর্বৃত্তরা ক্ষুর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায় আবু সুফিয়ানকে পরে গুরুতর আহত সুফিয়ানকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় স্থানীয়রা। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আহত সুফিয়ানের স্বজনদের দাবি,স্থানীয় একটি চা বাগানের ঘর নির্মাণে আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে সুফিয়ানকে কুপিয়েছে হামিদ ও তাঁর সহযোগিরা।
তবে পুলিশ জানায়, সুফিয়ান ও হামিদ একসাথে কাঠের ব্যবসা করে আসছিলো। ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এঘটনাটি ঘটেছে।
আবু সুফিয়ান কুলাউড়া পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে কুলাউড়া থানায় ছয়জনের নামোল্লেখসহ আরো ২-৩ জন অজ্ঞাতনামাসহ একটি মামলা দায়ের করেছেন আবু সুফিয়ানের মামা মো. মতই বক্স।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পৌর শহরের উত্তর লস্করপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. কুটু মিয়ার ছেলে আবু সুফিয়ানের সাথে সাথে দীর্ঘদিন থেকে ব্যবসায়িক ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল জয়চন্ডী ইউনিয়নের ঘাঘটিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত কনা মিয়ার ছেলে আব্দুল হামিদের। বৃহস্পতিবার রাতে আবু সুফিয়ান ও তার ছোটভাই রুফিয়ান মোটরসাইকেলযোগে স্থানীয় গাজীপুর বাজারে গেলে পূর্ব বিরোধের জেরে আব্দুল হামিদ গংরা বাজারের ব্যবসায়ী আরমান মিয়ার দোকানের সামনে চতুর্দিক ঘেরাও করে দেশীয় অস্ত্র ধারা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও ক্ষুর দিয়ে আঘাত করলে আবু সুফিয়ানের পিঠে মারাত্মক জখম হয়। এ সময় তাদের একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর, নগদ টাকা লুট করে নিয়ে হামলাকারীরা। 

কুলাউড়া থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ফার্ণিচার ব্যবসার বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হাতে গুরুতর আহত হয়েছেন সুফিয়ান। এ ঘটনায় সুফিয়ানের মামা ছয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত।

Post a Comment

 
Top