অনলাইন ডেস্কঃ জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ‘ফাটাকেষ্ট’ সিনেমা দেখেননি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এবার বাস্তবের ফাটাকেষ্টর দেখা পেল নড়াইলবাসী। আর ফাটাকেষ্ট রূপে আবির্ভুত হয়েছেন স্বয়ং এমপি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।
সম্প্রতি নিজ নির্বাচনী এলাকায় সফর করেছেন মাশরাফী। সফরে তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছেন নড়াইলবাসীর স্বাস্থ্যসেবা। তাই সেবার মান যাচাই করতে নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালে হানা দিলেন নিজেই।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কাউকে কিছু না জানিয়ে হাসপাতালে ঝটিকা অভিযানে যান মাশরাফী। চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা পরীক্ষা করা, হাসপাতালের পরিবেশ যাচাইয়ের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তবে কোনো কিছুই সন্তুষ্ট করতে পারেনি তাকে।
হাসপাতালের সার্জারি চিকিৎসক সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আকরাম হোসেনকে কোনো ধরনের ছুটির আবেদন ছাড়াই তিন দিন অনুপস্থিত দেখে ক্ষুব্ধ হন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। এরপর নিজেই রোগী সেজে ওই চিকিৎসককে ফোন করেন। তবে চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলা দেখে নিজের পরিচয় দেন তিনি। পরে ওই চিকিৎসককে সতর্ক করে দ্রুত হাসপাতালে আসার নির্দেশ দেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’।
হাসপাতালে ৭৩ জন নার্স থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র দুইজন। নার্সদের কক্ষেও তালা দেখতে পান মাশরাফী। এমনকি পুরো হাসপাতালে মাত্র একজন ডাক্তার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া রোগীদের অনুরোধে হাসপাতালের টয়লেটসহ চারপাশের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ছবি নিজের মোবাইলে তুলে নেন এমপি মাশরাফী।
ঝটিকা অভিযান মাশরাফীকে পুরো হাসপাতাল ঘুরিয়ে দেখানোর পাশাপাশি নানা প্রশ্নের উত্তর দেন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর বিথী খাতুন।
বিথী খাতুন বলেন, এমপি মাশরাফী হাসপাতালের সব সমস্যার কথা শুনেছেন। চিকিৎসক সঙ্কটের বিষয়টিও জেনেছেন। আমরা আশাবাদী নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালের সব সমস্যা দূর হবে। রোগীরাও উন্নত চিকিৎসা পাবে।
এমপি হিসেবে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার এমন ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে। এরইমধ্যে ফেসবুকে মাশরাফীর প্রশংসার ঝড় উঠেছে।
সম্প্রতি নিজ নির্বাচনী এলাকায় সফর করেছেন মাশরাফী। সফরে তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছেন নড়াইলবাসীর স্বাস্থ্যসেবা। তাই সেবার মান যাচাই করতে নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালে হানা দিলেন নিজেই।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কাউকে কিছু না জানিয়ে হাসপাতালে ঝটিকা অভিযানে যান মাশরাফী। চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা পরীক্ষা করা, হাসপাতালের পরিবেশ যাচাইয়ের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তবে কোনো কিছুই সন্তুষ্ট করতে পারেনি তাকে।
হাসপাতালের সার্জারি চিকিৎসক সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আকরাম হোসেনকে কোনো ধরনের ছুটির আবেদন ছাড়াই তিন দিন অনুপস্থিত দেখে ক্ষুব্ধ হন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। এরপর নিজেই রোগী সেজে ওই চিকিৎসককে ফোন করেন। তবে চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলা দেখে নিজের পরিচয় দেন তিনি। পরে ওই চিকিৎসককে সতর্ক করে দ্রুত হাসপাতালে আসার নির্দেশ দেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’।
হাসপাতালে ৭৩ জন নার্স থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র দুইজন। নার্সদের কক্ষেও তালা দেখতে পান মাশরাফী। এমনকি পুরো হাসপাতালে মাত্র একজন ডাক্তার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া রোগীদের অনুরোধে হাসপাতালের টয়লেটসহ চারপাশের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ছবি নিজের মোবাইলে তুলে নেন এমপি মাশরাফী।
ঝটিকা অভিযান মাশরাফীকে পুরো হাসপাতাল ঘুরিয়ে দেখানোর পাশাপাশি নানা প্রশ্নের উত্তর দেন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর বিথী খাতুন।
বিথী খাতুন বলেন, এমপি মাশরাফী হাসপাতালের সব সমস্যার কথা শুনেছেন। চিকিৎসক সঙ্কটের বিষয়টিও জেনেছেন। আমরা আশাবাদী নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালের সব সমস্যা দূর হবে। রোগীরাও উন্নত চিকিৎসা পাবে।
এমপি হিসেবে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার এমন ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে। এরইমধ্যে ফেসবুকে মাশরাফীর প্রশংসার ঝড় উঠেছে।
