অনলাইন ডেস্কঃ এবার পাঁচ ধাপে সম্পন্ন হবে পঞ্চম উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। আগামী মার্চের প্রথমার্ধেই উপজেলা পরিষদের নির্বাচন শুরু হবে। তবে মার্চ মাসের মধ্যেই পাঁচ ধাপের বেশিরভাগ উপজেলায় ভোট সম্পন্ন করবে ইসি। এই চার ধাপে প্রায় ৪৬৪টি উপজেলায় ভোট করার জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে ৪৮০টির ভোট হবে পাঁচ ধাপে। অবশিষ্টগুলোর মেয়াদপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে ভোটগ্রহণ করা হবে।
ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন পাঁচ ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন সভা করে কোন বিভাগের কোন জেলার কোন কোন উপজেলার ভোট হবে তা নির্ধারণ করা হবে। তবে প্রথম ধাপে ৮ বা ৯ মার্চ ভোট অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্চম ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে রমজানের পর।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ৮ অথবা ৯ মার্চ রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের অর্ধেক জেলার সকল উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী, খুলনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অর্ধেক জেলার সকল উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১৮ মার্চ। তৃতীয় ধাপে খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের অবশিষ্ট উপজেলায় ভোট ২৪ মার্চ। চতুর্থ ধাপে বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সব উপজেলা এবং চট্টগ্রামের অবশিষ্ট উপজেলায় ভোট হবে ৩১ মার্চ। আর পঞ্চম ধাপে অবশিষ্ট যেসব উপজেলায় মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি-সেই সব উপজেলায় রজমানের পর ভোট গ্রহণ করবে কমিশন। এবার ১০ উপজেলা বিশিষ্ট জেলার সকল উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসাবে সিনিয়র/জেলা নির্বাচন অফিসারকে রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। আর ১০ এর অধিক উপজেলা বিশিষ্ট জেলায় রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ পাবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। ক্ষেত্র বিশেষ অন্যরাও দায়িত্ব পেতে পারেন। প্রথম ধাপে ৬৯টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি, চতুর্থ ধাপে ১৫৯টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত ভোট করার সিদ্ধান্ত রয়েছে কমিশনের।
উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ এর ১৭(১)(গ) ধারা অনুযায়ী, পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানের মতো পরিষদের প্রথম বৈঠক (সভা) থেকে ৫ বছরের মেয়াদ শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পরেই ১৯ জানুয়ারি আগের নির্বাচন কমিশন উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৯৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি হয় আরও ১১৫টি উপজেলায় ভোট। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের জুন-জুলাইয়ে সব মিলিয়ে ৭ ধাপে দেশের ৪৮৭টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন হয়েছিল। ওই বছরের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে উপজেলা পরিষদগুলোতে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সালে প্রথমদিনে যেসব উপজেলায় ভোট হয়েছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের উপযোগী হয়েছে।
দেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। ওই বছর ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। এরপর ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছরও ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। ২০০৯ সালে দেশে তৃতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছর ৪৭৫টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। সর্বশেষ ২০১৪ সালে চতুর্থবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। সাত ধাপে দেশের ৪৮৭টি উপজেলায় ভোট হয়।
ইসির সংশ্লিষ্টরা বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাপকভাবে ইভিএম ব্যবহার করার। ৩ ফেব্রুয়ারি কমিশন সভায় এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হতে পারে। যেসব উপজেলা পরিষদের মেয়াদ জুলাই মাসে শেষ হচ্ছে ওই সব উপজেলার নির্বাচন ৩১ মার্চের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। গতবারের উপজেলা নির্বাচন আইনত নির্দলীয় হলেও এবার হবে দলীয় প্রতীকে।
আইনানুযায়ী এবার উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এই তিনটি পদেই দলীয় প্রতীক নির্বাচন হবে। দেশের নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোকে উপজেলা পরিষদের প্রার্থী মনোনয়নের এক বিশাল কর্মযজ্ঞও শুরু করতে হবে।
একটি বড় দল বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনও ভোটে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন কেমন হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, উপজেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের নির্বাচন। এই নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী ভোট করতে হবে। কে এলো বা না এলো তা বিবেচনায় নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।
এ লক্ষ্যে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে ৪৮০টির ভোট হবে পাঁচ ধাপে। অবশিষ্টগুলোর মেয়াদপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে ভোটগ্রহণ করা হবে।
ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন পাঁচ ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন সভা করে কোন বিভাগের কোন জেলার কোন কোন উপজেলার ভোট হবে তা নির্ধারণ করা হবে। তবে প্রথম ধাপে ৮ বা ৯ মার্চ ভোট অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্চম ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে রমজানের পর।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ৮ অথবা ৯ মার্চ রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের অর্ধেক জেলার সকল উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী, খুলনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অর্ধেক জেলার সকল উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১৮ মার্চ। তৃতীয় ধাপে খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের অবশিষ্ট উপজেলায় ভোট ২৪ মার্চ। চতুর্থ ধাপে বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সব উপজেলা এবং চট্টগ্রামের অবশিষ্ট উপজেলায় ভোট হবে ৩১ মার্চ। আর পঞ্চম ধাপে অবশিষ্ট যেসব উপজেলায় মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি-সেই সব উপজেলায় রজমানের পর ভোট গ্রহণ করবে কমিশন। এবার ১০ উপজেলা বিশিষ্ট জেলার সকল উপজেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসাবে সিনিয়র/জেলা নির্বাচন অফিসারকে রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। আর ১০ এর অধিক উপজেলা বিশিষ্ট জেলায় রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ পাবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। ক্ষেত্র বিশেষ অন্যরাও দায়িত্ব পেতে পারেন। প্রথম ধাপে ৬৯টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি, চতুর্থ ধাপে ১৫৯টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত ভোট করার সিদ্ধান্ত রয়েছে কমিশনের।
উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ এর ১৭(১)(গ) ধারা অনুযায়ী, পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানের মতো পরিষদের প্রথম বৈঠক (সভা) থেকে ৫ বছরের মেয়াদ শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পরেই ১৯ জানুয়ারি আগের নির্বাচন কমিশন উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৯৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি হয় আরও ১১৫টি উপজেলায় ভোট। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের জুন-জুলাইয়ে সব মিলিয়ে ৭ ধাপে দেশের ৪৮৭টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন হয়েছিল। ওই বছরের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে উপজেলা পরিষদগুলোতে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সালে প্রথমদিনে যেসব উপজেলায় ভোট হয়েছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের উপযোগী হয়েছে।
দেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। ওই বছর ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। এরপর ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছরও ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। ২০০৯ সালে দেশে তৃতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছর ৪৭৫টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। সর্বশেষ ২০১৪ সালে চতুর্থবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। সাত ধাপে দেশের ৪৮৭টি উপজেলায় ভোট হয়।
ইসির সংশ্লিষ্টরা বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাপকভাবে ইভিএম ব্যবহার করার। ৩ ফেব্রুয়ারি কমিশন সভায় এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হতে পারে। যেসব উপজেলা পরিষদের মেয়াদ জুলাই মাসে শেষ হচ্ছে ওই সব উপজেলার নির্বাচন ৩১ মার্চের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। গতবারের উপজেলা নির্বাচন আইনত নির্দলীয় হলেও এবার হবে দলীয় প্রতীকে।
আইনানুযায়ী এবার উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এই তিনটি পদেই দলীয় প্রতীক নির্বাচন হবে। দেশের নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে রাজনৈতিক দলগুলোকে উপজেলা পরিষদের প্রার্থী মনোনয়নের এক বিশাল কর্মযজ্ঞও শুরু করতে হবে।
একটি বড় দল বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনও ভোটে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন কেমন হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, উপজেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের নির্বাচন। এই নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী ভোট করতে হবে। কে এলো বা না এলো তা বিবেচনায় নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।
