অনলাইন ডেস্কঃ সিলেট সিটি করপোরেশনে (সিসিক) ভোটযুদ্ধের শেষ লড়াইয়ে টিকে রইলেন ৭ মেয়র প্রার্থীসহ ১৯৬ জন। এর মধ্যে ৭জন মেয়র প্রার্থী বাদে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১২৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে রয়েছেন ৬২ জন প্রার্থী রয়েছেন।
সোমবার (৯ জুলাই) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে সাধারণ আসনে ৬ প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও কোন মেয়র বা সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদ থেকে কেউই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।
১৯৬ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়। ১০ জুলাই নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রার্থীরা প্রচারণার বৈধতা পাবেন বলেও তিনি জানান।
এর আগে গত ১৩ জুন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে মোট ২০৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। ২৮ জুন বিকাল ৫টা পর্যন্ত সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে তারা এসব মনোনয়নপত্র জমা দেন তারা।
এর মধ্যে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন ৯ জন, ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ড থেকে ১৩৭ জন কাউন্সিলর এবং ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে ৬৩ জন (সংরক্ষিত) মহিলা কাউন্সিলর।
পরে ৬ কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং এর আগে ২ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, ৪ জন কাউন্সিলর ও ১ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় সর্বশেষ ভোটযুদ্ধে টিকে থাকেন ১৯৬ জন।
এর মধ্যে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সদ্য বিদায়ী মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিদ্রোহী প্রার্থী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সিপিবি-বাসদের মনোনীত প্রার্থী আবু জাফর, স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মুক্তাদির হোসেন তাপাদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির শরিক দল জামায়াতের সিলেট মহানগরের আমির অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও ইসলামী শাসনতন্ত্রের প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খাঁন, এহসানুল হক তাহের, কাজী জসিম উদ্দিন।
উল্লেখ্য, সিলেট সিটি নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল সোমবার (৯ জুলাই)। আজ ১০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবে নির্বাচন কমিশন। সবশেষে ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন।
