নিউজ ডেস্কঃ সিলেটের বিশ্বনাথে স্কুল থেকে হুসাইন মিয়া নামের ৫বছরের এক স্কুলছাত্রকে অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর দুই নারীসহ ৪জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশ্বনাথ বাজারের আলহেরা শপিং সিটির ‘গ্রামীণ টেলিকম’ নামের মোবাইলের দোকান থেকে ওই ৪ জনকে আটকসহ হুসাইনকে উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত দুই নারীই অপহৃত স্কুলছাত্রের ফুফু। তারা হলেন, আলিমা বেগম হালিমা (১৭) ও রাহিমা বেগম পূর্ণিমা (১৪)। তারা সিংরাওলী গ্রামের আলা উদ্দিনের মেয়ে হুসাইন মিয়ার বাবা বকুল মিয়ার আপন চাচাতো বোন।
এদিকে অপর দুইজন হলেন, হেলন আলহেরা শপিংসিটির গ্রামীণ টেলিকমের সত্ত্বাধিকারী রামপাশা গ্রামের সুলতান খানের ছেলে ফিরোজ খান (২৮) ও তার ভাই সামছুল ইসলাম খান (৩২)।
উদ্ধার হওয়া শিশু হুসাইন আহমদ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সিংরাওলী গ্রামের বকুল মিয়ার পুত্র ও স্থানীয় সিংগেরকাছ বাজার ইকরা মডেল একাডেমীর প্লে শ্রেণীর ছাত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে ফুফু পরিচয় দিয়ে ইক্বরা মডেল একাডেমি থেকে হুসাইনকে অপহরণ করে নিয়ে যান পূর্ণিমা ও হালিমা। ঠিক এর আধাঘণ্টা পর হুসাইনের বাবা বকুলকে ০১৭৪৯৯২১৭৯২ নাম্বার মোবাইল ফোনে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ হিসেবে বিকাশ করতে বলে অপহরণকারীরা।
কিন্তু ওই নাম্বারে বিকাশ না থাকায় পরবর্তীতে (০১৮৪৮২০১০৭৪) নাম্বারের বিকাশ পাঠানোর নির্দেশ দেয় অপহরণকারীরা। এসময় পুলিশের নির্দেশে ওই বিকাশ নাম্বারে ১০ হাজার টাকা পাঠানো হয় এবং সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
অবশেষে বিকাশ নাম্বারের মালিক ফিরোজ খানের গ্রামীণ টেলিকম থেকে স্কুলছাত্রকে উদ্ধার এবং অপহরণকারী দুই বোনসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
ব্যবসায়ী দু’ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক রাখা হয়েছে জানিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা বলেন, অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আটককৃত দুই নারীই অপহৃত স্কুলছাত্রের ফুফু। তারা হলেন, আলিমা বেগম হালিমা (১৭) ও রাহিমা বেগম পূর্ণিমা (১৪)। তারা সিংরাওলী গ্রামের আলা উদ্দিনের মেয়ে হুসাইন মিয়ার বাবা বকুল মিয়ার আপন চাচাতো বোন।
এদিকে অপর দুইজন হলেন, হেলন আলহেরা শপিংসিটির গ্রামীণ টেলিকমের সত্ত্বাধিকারী রামপাশা গ্রামের সুলতান খানের ছেলে ফিরোজ খান (২৮) ও তার ভাই সামছুল ইসলাম খান (৩২)।
উদ্ধার হওয়া শিশু হুসাইন আহমদ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সিংরাওলী গ্রামের বকুল মিয়ার পুত্র ও স্থানীয় সিংগেরকাছ বাজার ইকরা মডেল একাডেমীর প্লে শ্রেণীর ছাত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে ফুফু পরিচয় দিয়ে ইক্বরা মডেল একাডেমি থেকে হুসাইনকে অপহরণ করে নিয়ে যান পূর্ণিমা ও হালিমা। ঠিক এর আধাঘণ্টা পর হুসাইনের বাবা বকুলকে ০১৭৪৯৯২১৭৯২ নাম্বার মোবাইল ফোনে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ হিসেবে বিকাশ করতে বলে অপহরণকারীরা।
কিন্তু ওই নাম্বারে বিকাশ না থাকায় পরবর্তীতে (০১৮৪৮২০১০৭৪) নাম্বারের বিকাশ পাঠানোর নির্দেশ দেয় অপহরণকারীরা। এসময় পুলিশের নির্দেশে ওই বিকাশ নাম্বারে ১০ হাজার টাকা পাঠানো হয় এবং সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
অবশেষে বিকাশ নাম্বারের মালিক ফিরোজ খানের গ্রামীণ টেলিকম থেকে স্কুলছাত্রকে উদ্ধার এবং অপহরণকারী দুই বোনসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
ব্যবসায়ী দু’ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক রাখা হয়েছে জানিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা বলেন, অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
