নিউজ ডেস্কঃ নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে নিহত ২৬ জনের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ২৩ বাংলাদেশির লাশ দেশে ফিরছে।
সোমবার (১৯ মার্চ) বিকেলে লাশগুলো ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। নেপালের কাঠমান্ডু থেকে বিশেষ একটি বিমানে মরদেহগুলো দেশে আনা হবে বলেও জানা যায়।
ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে বিকেল ৪টায়। পরে লাশগুলোকে আর্মি স্টেডিয়ামে নিয়ে জানাজা হবে এবং সেখান থেকে লাশগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
যেসব বাংলাদেশির লাশ আনা হচ্ছে তারা হলেন- ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ, কেবিন ক্রু খাজা সাইফুল্লাহ, কেবিন ক্রু শারমিন আক্তার নাবিলা, যাত্রী অনিরুদ্ধ জামান, তাহিরা তানভীন শশী, উম্মে সালমা, মিনহাজ বিন নাসির, রাকিবুল হাসান, মতিউর রহমান, রফিক উজ জামান, এফএইচ প্রিয়ক, আখি মনি, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, আকতার বেগম, হাসান ইমাম, এসএম মাহমুদুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, সানজিদা হক, বিলকিস আরা, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, বেগম হারুন নাহার বিলকিস বানু, মো. নুরুজ্জামান।
নিহত ২৬ জনের মধ্যে যে তিন জনের লাশ শনাক্ত করা যায়নি। তারা হলেন, আলিফউজ্জামান, মো. নজরুল ইসলাম ও পিয়াস রয়।
উল্লেখ্য, গত সোমবার নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। তখন সেটিতে আগুনও ধরে যায়। বিমানের ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিমানের পাইলট, কো-পাইলট ও দুজন ক্রুসহ বাংলাদেশের ২৬ জন, নেপালের ২৪ ও চীনের ১ জন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে বাংলাদেশি ১০ জন, নেপালের ৯ ও মালদ্বীপের ১ জন।
এদিকে নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস–বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য ১৩ জন চিকিৎসককে নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়কারী সামন্ত লাল সেনকে প্রধান করে এই বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
