অনলাইন ডেস্কঃ দায়িত্ব নেওয়ার নয় দিনের মধ্যেই সাময়িক বহিস্কৃত হলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছ। রোববার দুপুরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়।
দিরাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যা প্রচেষ্টা মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী হওয়ায় তাকে বহিস্কার করা হয় বলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব মো. মাহমুদুল আলম স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানানো হয়।
রোববার দুপুরে মন্ত্রণালয় থেকে মেয়রের সাময়িক বহিস্কারের চিঠি পেয়েছেন বলে সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন হবিগঞ্জ পৌনসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা পারুল বালা দাস।
রোববার দায়িত্ব গ্রহণের ৩ ঘন্টার মধ্যে ফের সাময়িক বহিস্কার করা হয় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
কারাগার থেকে বেরিয়ে গত ২৩ মার্চ হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।
সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর সিলেট সিটি করপোরেশনের বরখাস্ত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার বরখাস্ত মেয়র জি কে গউছ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১১ জনের নাম যোগ করে সংশোধিত সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।
এরপর ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর ওই ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। পরোয়ানা জারির পর একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে বহিস্কার করা হয় গউছকে। কারাগারে থাকা অবস্থায়ই ফের হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন গউছ।
২০০৪ সালের ২১ জুন দুপুরে দিরাইয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলায় এক যুবলীগকর্মী নিহত ও ২৯ জন আহত হয়।
ওই ঘটনায় দিরাই থানায় করা হত্যা মামলা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় আরিফুলসহ ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। সুত্রঃ সিলেট টুডে
