ডেস্ক নিউজঃ ফাল্গুনের শেষ, আসছে চৈত্র মাস। এখুনি প্রকৃতিতে জানান দিচ্ছে গ্রীষ্মকালের ঘণ্টা। সারাদিন বেশ গরম আর রাতের শেষ ভাগে হালকা ঠাণ্ডা। আবহাওয়ার এমন লুকোচুরি খেলায় বাড়ছে মৌসুমি রোগ, যার বেশিরভাগ প্রভাব পড়ছে শিশুসহ বয়স্কদের উপর। চিকিৎসকরা বলছেন, তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে হতে পারে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। তাই এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি বাইরের খোলা খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। ফাল্গুনের ঝলমলে রোদে উত্তাপ সইতে কষ্ট হচ্ছে মানব শরীরে। গ্রীষ্মের শুরুতে হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে ডায়রিয়া কলেরাসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা। ১১ মাসের শিশু আলভী। শ্বাসকষ্টে ভুগছে গত দুইদিন ধরে। আলভীর মতো এমন অসংখ্য শিশু প্রতিদিনই চিকিৎসা নিতে ভিড় করছে হাসপাতালগুলোতে। স্বজনরা বলছেন, বাচ্চার হঠাৎ করেই বমি আর পাতলা পায়খানা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন শিশু অতিরিক্ত ঘেমে গেলে সাথে সাথে ঘাম মুছে দিতে হবে। হাঁচি বা নাক দিয়ে পানি আসলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে ছয় মাস পর্যন্ত শিশুদের শুধু মায়ের দুধ খাওয়ালে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ রোগ প্রতিরোধ সম্ভব বলে মনে করেন তারা।
