এম শাহবান রশীদ চৌধুরী: কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে সোমবার (১২অক্টোবর) ইউএসএআইডি এর ক্রেল প্রকল্পের উদ্যোগে এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওরের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (খসড়া) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলাম, সিলেট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শংকর রঞ্জন দাস, মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আখম শহীদুজ্জামান ও সহকারী পরিচালক (পিআরএল) নৃপেন্দ্র চন্দ্র দাস। ক্রেল প্রকল্পের কুলাউড়া সাইট কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান এর তত্বাবধানে কর্মশালার উদ্বোধন করেন কুলাউড়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নেহার বেগম। মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাওর ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা লিড কনসালটেন্ট ড. সৈয়দ আলী আজহার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্রেল প্রকল্পের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. মাজহারুল ইসলাম (জাহাঙ্গীর)। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ভুকশিমইল ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু, জায়ফরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজমুল ইসলাম,সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম, বড়লেখা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আবু ইউছুফ, প্রচেষ্টার প্রকল্প ম্যানেজার ফেরদৌস আহমদ ও হাকালুকি জাগরণী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহমদ প্রমুখ। কর্মশালায় কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী, হাকালুকি হাওর তীরের কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার মৎস্য ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, হাকালুকি হাওরের ভিসিজি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় বক্তারা বলেন, হাকালুকি হাওরের উন্নয়ন করতে হলে হাওর উন্নয়ন প্রকল্পে হাকালুকি হাওরকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বুড়িকিয়ারী বাধ অপসারন,জুড়ী নদী ও কন্টিনালা খাল খনন,গাছ রোপনে অর্থ ব্যয় না করে প্রাকৃতিকভাবে জম্ম নেয়া গাছ রক্ষনাবেক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহন,বিলগুলো উম্মুক্ত না রেখে ইজারা প্রদানের সপারিশের পাশাপাশি হাওর তীরে বসবাসরত জেলে, কৃষক এবং সচেতন মানুষের অংশগ্রহণে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নয়ন প্রকল্পসমুহ বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় মানুষ গৃহীত প্রকল্পসমুহের সুফল থেকে ও হাওর উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হবে।
