![]() |
| বরমচালে ঝড়ে ভেঙে পড়া একটি গাছ নিয়ে কৌতুহল |
মাহফুজ শাকিল: বরমচালের মাধবপুরে হজরত খন্দকার (রহ.) মাজারের ভেতরের কালবৈশাখীর ঝড়ে উপড়ে ফেলা একটি গাছকে নিয়ে ব্যাপক কৌত‚হল সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন ওই গাছের ছাল সংগ্রহ করতে শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, ওই গাছের ছাল পানিতে ভিজিয়ে সেবন করলে রোগমুক্তি হবে। সরেজমিনে জানা যায়, ৪ এপ্রিল রাতে কালবৈশাখীতে বরমচালের হজরত খন্দকার (রহ.) মাজারের ভেতরের একটি গাছ উপড়ে পড়ে যায়। কিন্তু গাছটি এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। মাজার বা দেয়ালের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। প্রায় ১৫ ফুট দূরে নিরাপদ স্থানে গাছটি পড়েছে।
বরমচাল
হজরত খন্দকার (রহ.) দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাও. মো. আনছার উদ্দিন
জানান, প্রায় ৪০০ বছর আগে সৌদি আরব থেকে হজরত খন্দকার (রহ.) মাধবপুর গ্রামে
বসতি শুরু করেন এবং এখানেই মৃত্যুবরণ করেন। পরে এখানে তার মাজার হয়।
বরমচাল ইউপির চেয়ারম্যান ইসহাক চৌধুরী ইমরান জানান, ভয়াবহ এ ঝড়ে মাজারটি
ধ্বংস হতে পারত, আল্লাহ পাকের মেহেরবাণীতে মাজারটি রক্ষা হয়েছে। আল্লাহর এ
ওলির অনেক ভক্ত রয়েছেন। তাদের ভালোবাসায় মাজারটি যুগে যুগে মানুষের মনে
অন্য রকম আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে। মাজারের তত্ত¡াবধায়ক খুরশিদ মিয়া ও
স্থানীয় মুরব্বি সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবদুস সালাম জানান, গাছের বয়স প্রায়
২০০ থেকে আড়াইশ বছর হবে। ওই দিন রাতে ঝড়ে স্বাভাবিকভাবে বিশাল এ গাছটি
মাজারের ওপর পড়ার কথা কিন্তু কাকতালীয়ভাবে মাজার অক্ষত রেখে গাছটি ১০-১৫
ফুট দূরে পড়েছে। এ থেকে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে বিশ্বাস জন্মেছে যে এই
গাছের ছাল পানিতে ভিজিয়ে খেলে যেকোনো রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
