![]() |
| এভারেস্টের তলদেশে চলবে প্রবল গতিসম্পন্ন ট্রেন |
অনলাইন ডেস্কঃ হিমালয়ের এভারেস্ট শিখরের নীচে সুড়ঙ্গ। আর তার মধ্যে দিয়ে ছুটে চলেছে প্রবল গতিসম্পন্ন অত্যাধুনিক ট্রেন। গন্তব্যের উদ্দেশ্য কাঠমাণ্ডু থেকে তিব্বত। না কোন কল্পকাহিনী নয়, আগামী দিনে এমনই দৃশ্য লক্ষ্য করতে চলেছে বিশ্ববাসী। উদ্যোগ নিয়েছে চীন আর নিরাপত্তা প্রশ্নে নতুন চিন্তায় পড়তে চলেছে দিল্লি। তিব্বত ও নেপালের মধ্যে রেল যোগাযোগের পরিকল্পনা করেছে চিন। বৃহস্পতিবার চিনা সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চিন-নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে কিংহাই-তিব্বত রেলের সম্প্রসারণের ফলে দুই দেশের পর্যটন-সহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রসার ঘটবে। বস্তুত, চিনের এই পরিকল্পনা অবশ্য নতুন নয়। প্রকল্প আসলে শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে। কিংহাই-তিব্বত রেলওয়ের সাবেক যাত্রাপথটি বর্তমানে ১৯৫৬ কিমি দীর্ঘ। মূল চিনা ভূখণ্ডের সঙ্গে তিব্বতের রাজধানী লাসা-কে যুক্ত করেছে এই রেলপথ। এর সঙ্গে বাড়তি ৫৪০ কিমি যুক্ত হওয়ার কথা। তবে কাজ এখনও শেষ হয়নি বলে জানা গিয়েছে। এর প্রধান কারণ প্রাকৃতিক বাধা। প্রস্তাবিত রেলপথটির মাঝে দাঁড়িয়ে আছে স্বয়ং মাউন্ট এভারেস্ট। পৃথিবীর শীর্ষতম শৃঙ্গ অতিক্রম করা কোনও রেলপথের পক্ষেই সম্ভব নয়। এই কারণে এক অভিনব ফন্দি এঁটেছে বেইজিং। চিনা সংবাদ মাধ্যমের দাবি, এই বাধা অতিক্রম করতে এভারেস্টের তলদেশে সুড়ঙ্গ খুঁড়বে বেইজিং। তার মধ্যে দিয়ে যাবে রেলপথ। মনে করা হচ্ছে, এই ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ দাঁড়াবে ঘণ্টায় ১২০ কিমি। জানা গেছে, সম্প্রতি নেপাল সফরে গিয়ে চিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়্যাং ই কাঠমাণ্ডু অতিক্রম করে যাওয়া প্রস্তাবিত রেল প্রকল্পের জন্য সমীক্ষা তলব করেছেন। স্বাভাবিক কারণেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দিল্লি। কারণ ভারতের সাথে অঘোষিত শত্রুতা রয়েছে চীনের সাথে অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে।
