![]() |
| পানিতে ফুল ভাসিয়ে পাহাড়ের ‘বৈসাবি’ উৎসব শুরু |
নিউজ ডেস্কঃ উৎসবের নানা রঙে পাহাড়ে চলছে বৈসুক, সাংগ্রাই, বিজুর বর্ণিল আয়োজন। পাহাড়ের বৃহত্তম এই সামাজিক আয়োজনে এখন মুখর পার্বত্য জনপদ। রোববার চাকমাদের ফুল বিজু আর ত্রিপুরাদের হারি বৈসুক। এদিন ভোরে পানিতে ফুল ভাসিয়ে দিনটি শুরু করেছে এই দুই জনগোষ্ঠীর মানুষ। এদিন থেকেই শুরু হয়েছে পাহাড়ের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবির ধর্মীয় আচার। পাহাড় জুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। নানান আয়োজনে মুখর পাহাড়ী শহর গ্রাম। পাহাড়ের উপজাতীদের মতে, বিজু মানে আনন্দ, নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন, সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় আর চেতনার নতুন প্রেরণা। এদিকে, সকালে রাঙ্গামাটি শহরের রাজবাড়ীঘাটে চাকমাদের পানিতে ফুলবিজুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার। তিনি বলেন, ‘পবিত্র মন নিয়ে আমরা নদীতে ফুল ভাসালাম। সবাই যাতে মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বসবাস করতে পারি।’ তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী বিজুর শুভেচ্ছা জানান। উপস্থিত তরুণ-তরুণীও জানিয়েছেন নিজেদের অভিব্যক্তি। অপরদিকে, সকালে পানিতে ফুল ভাসিয়ে, পুরনো বছরের দুঃখ বেদনা যেনো ভাসিয়ে দিয়ে নতুন দিনের সম্ভাবনার আলো জ্বাললেন পাহাড়ের মানুষ।
শহরের গর্জনতলি এলাকায় ত্রিপুরাদের হারি বৈসুক উপলক্ষে আয়োজিত বয়স্ক স্নান, বস্ত্রদান, গড়াইয়া নৃত্য এবং পানিতে ফুল ভাসানোর কর্মসূচি পালিত হয়। এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা। পানিতে ফুল ভাসিয়ে পুরনো দিনের বেদনা ভুলে নতুন দিনের প্রত্যয়ের কথা জানালেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা।
সোমবার উৎসবের প্রধান দিন, যা মূল বিজু নামেই পরিচিত। সেদিন দলবেধে বাড়ি বাড়ি বেড়াবে ছেলেবুড়ো সবাই। পাঁচন আর দোচোয়ানির (বাংলা মদ) স্বাদে মুগ্ধ পাহাড়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে সব সীমারেখা ছাড়িয়ে। আর বেজে উঠবে পাহাড়ী গানের সুর।
শহরের গর্জনতলি এলাকায় ত্রিপুরাদের হারি বৈসুক উপলক্ষে আয়োজিত বয়স্ক স্নান, বস্ত্রদান, গড়াইয়া নৃত্য এবং পানিতে ফুল ভাসানোর কর্মসূচি পালিত হয়। এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা। পানিতে ফুল ভাসিয়ে পুরনো দিনের বেদনা ভুলে নতুন দিনের প্রত্যয়ের কথা জানালেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা।
সোমবার উৎসবের প্রধান দিন, যা মূল বিজু নামেই পরিচিত। সেদিন দলবেধে বাড়ি বাড়ি বেড়াবে ছেলেবুড়ো সবাই। পাঁচন আর দোচোয়ানির (বাংলা মদ) স্বাদে মুগ্ধ পাহাড়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে সব সীমারেখা ছাড়িয়ে। আর বেজে উঠবে পাহাড়ী গানের সুর।
