![]() |
| নিউজিল্যান্ড-দ.আফ্রিকা সেমিফাইনাল: জিতলেই ইতিহাস |
আমিন জাহানঃ ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে আছে নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা। যে দল জিতবে তারাই প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপ ইতিহাসে উঠবে ফাইনালে মঞ্চে। তাই বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালের আগে, বেশ উত্তাপ ছড়াচ্ছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচকে ঘিরে। গেলো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ঢাকায় কিউইদের কাছে হেরেছিলো প্রোটিয়ারা। তাই তারা চাইবে প্রতিশোধ নিতে। তবে, এ পর্যন্ত ৬ বার সেমিফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা কিউইরা চাইবে প্রথম বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নিতে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত অপরাজিত তারা। তবে, ইনজুরির কারণে,আগের ম্যাচের একাদশের বাইরে থাকবেন অ্যাডাম মিলনে। তার জায়গায় খেলবেন কাইল মিলস। অন্যদিকে,তিন বার সেমিফাইনালে খেললেও,ফাইনালে খেলা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকারও। প্রতি আসরে ফেভারিটের তকমা থাকলেও, স্নায়ুচাপে নকআউট পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয় প্রোটিয়াদের। তাই তাদের ক্রিকেট বিশ্বে বলা হয়ে থাকে চোকার্স। তবে, এবার সেই অপবাদ ঘোচাতে চায় তারা। দারুণ ব্যাটিং ও বোলিংয়ে ভারসাম্যপূর্ন দলটি। প্রোটিয়াদের এ ম্যাচের সেরা একাদশে আসতে পারে একটি পরিবর্তন। অকল্যান্ডে দু`দলের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায়।
চলতি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হবে। এ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও পেসার টেন্ট বোল্টের দিকে স্পটলাইটা বেশিই থাকবে। আর দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স, ওপেনার হাশিম আমলা ও স্পিনার ইমরান তাহিরের দিকে সবার নজর থাকবে তা বলাই যায়। দুই দলের এই ছয় খেলোয়াড় যে কোন সময় ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখেন।
ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (নিউজিল্যান্ড) : দলকে সামনে থেকে দারুণভাবে এবারের বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ম্যাককালাম। এছাড়া ব্যাট হাতে ইনিংসের শুরুতে প্রতিপক্ষ বোলারদের পরিকল্পনাগুলো ভেস্তে দিতে পারদর্শীতা ঠিকই দেখিয়েছেন তিনি। এখনপর্যন্ত ৭ ম্যাচে ২৬৯ রান করেছেন ম্যাককালাম।
মার্টিন গাপটিল (নিউজিল্যান্ড) : চলতি বিশ্বকাপের শুরু থেকে নিজেকে পুরোপুরি মেলে ধরতে পারেননি গাপটিল। তবে শেষ দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে কারিশমা দেখিয়েছেন তিনি। পুল পর্বে নিউজিল্যান্ডের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০৫ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন গাপটিল। এমন ইনিংসেই যেন আত্মবিশ্বাস ফিরে পান তিনি। এতটাই যে, কোয়ার্টারফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করে বসলেন ডাবল-সেঞ্চুরি। তার করতে গিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৩৭ রানের ইনিংস খেলেন গাপটিল। এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৪৯৮ রান করেছেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপের রান সংগ্রহের তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন গাপটিল।
টেন্ট বোল্ট (নিউজিল্যান্ড) : বোলিং বিভাগে নিউজিল্যান্ডের অন্যতম ভরসার নাম টেন্ট বোল্ট। দলকে একাই ম্যাচ জিতিয়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখেন তিনি। ইতোমধ্যে সেই প্রমান দিয়েছেনও বোল্ট। স্কটল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচ তো হয়েছেনই, সাথে প্রত্যক ম্যাচেই দলের জয়ে রেখেছেন মূখ্য ভূমিকা। ৭ ম্যাচে ১৯ ঝুলিতে রয়েছে বোল্টের। ফলে চলতি বিশ্বকাপে উইকেট শিকারের তালিকায় সবার উপরেই রয়েছেন বোল্ট।
এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) : নিউজিল্যান্ডের দলপতি ব্রেন্ডন ম্যাককালামের মত এবি ডি ভিলিয়ার্সও দক্ষিণ আফ্রিকা দলকে সামনে থেকে দারুণভাবেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শুধুমাত্র নেতৃত্বে ঝলক দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকনেনি ডি ভিলিয়ার্স। ব্যাট হাতে দারুণ পারফরমেন্স দেখিয়েছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৪১৭ রান করেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরিও করেন ওয়ানডের দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক ডি ভিলিয়ার্স।
হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা) : দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ব্যাটিং বিভাগের অন্যতম ভরসার নাম হাশিম আমলা। প্রত্যক ম্যাচে ভালো খেলার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন তিনি। নিজের ইনিংসকে ও দলের স্কোরবোর্ডকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে বেশ পটু আমলা। চলতি বিশ্বকাপে এখনপর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৩২৩ রান করেছেন এই ব্যাটসম্যান।
ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা) : স্পিন বিভাগে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ইমারন তাহির। প্রয়োজনীয় সময়ে দলকে ভালোভাবেই সাফল্য এনে দিচ্ছেন তিনি। এর প্রমান ইতোমধ্যে দিয়েছেনও তাহির। তাই ৭ ম্যাচে ১৫ শিকার জমা পড়েছে তাহিরের খাতায়।
চলতি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হবে। এ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও পেসার টেন্ট বোল্টের দিকে স্পটলাইটা বেশিই থাকবে। আর দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স, ওপেনার হাশিম আমলা ও স্পিনার ইমরান তাহিরের দিকে সবার নজর থাকবে তা বলাই যায়। দুই দলের এই ছয় খেলোয়াড় যে কোন সময় ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখেন।
ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (নিউজিল্যান্ড) : দলকে সামনে থেকে দারুণভাবে এবারের বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ম্যাককালাম। এছাড়া ব্যাট হাতে ইনিংসের শুরুতে প্রতিপক্ষ বোলারদের পরিকল্পনাগুলো ভেস্তে দিতে পারদর্শীতা ঠিকই দেখিয়েছেন তিনি। এখনপর্যন্ত ৭ ম্যাচে ২৬৯ রান করেছেন ম্যাককালাম।
মার্টিন গাপটিল (নিউজিল্যান্ড) : চলতি বিশ্বকাপের শুরু থেকে নিজেকে পুরোপুরি মেলে ধরতে পারেননি গাপটিল। তবে শেষ দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে কারিশমা দেখিয়েছেন তিনি। পুল পর্বে নিউজিল্যান্ডের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০৫ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন গাপটিল। এমন ইনিংসেই যেন আত্মবিশ্বাস ফিরে পান তিনি। এতটাই যে, কোয়ার্টারফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করে বসলেন ডাবল-সেঞ্চুরি। তার করতে গিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৩৭ রানের ইনিংস খেলেন গাপটিল। এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৪৯৮ রান করেছেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপের রান সংগ্রহের তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন গাপটিল।
টেন্ট বোল্ট (নিউজিল্যান্ড) : বোলিং বিভাগে নিউজিল্যান্ডের অন্যতম ভরসার নাম টেন্ট বোল্ট। দলকে একাই ম্যাচ জিতিয়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখেন তিনি। ইতোমধ্যে সেই প্রমান দিয়েছেনও বোল্ট। স্কটল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচ তো হয়েছেনই, সাথে প্রত্যক ম্যাচেই দলের জয়ে রেখেছেন মূখ্য ভূমিকা। ৭ ম্যাচে ১৯ ঝুলিতে রয়েছে বোল্টের। ফলে চলতি বিশ্বকাপে উইকেট শিকারের তালিকায় সবার উপরেই রয়েছেন বোল্ট।
এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) : নিউজিল্যান্ডের দলপতি ব্রেন্ডন ম্যাককালামের মত এবি ডি ভিলিয়ার্সও দক্ষিণ আফ্রিকা দলকে সামনে থেকে দারুণভাবেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শুধুমাত্র নেতৃত্বে ঝলক দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকনেনি ডি ভিলিয়ার্স। ব্যাট হাতে দারুণ পারফরমেন্স দেখিয়েছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৪১৭ রান করেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরিও করেন ওয়ানডের দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক ডি ভিলিয়ার্স।
হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা) : দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ব্যাটিং বিভাগের অন্যতম ভরসার নাম হাশিম আমলা। প্রত্যক ম্যাচে ভালো খেলার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন তিনি। নিজের ইনিংসকে ও দলের স্কোরবোর্ডকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে বেশ পটু আমলা। চলতি বিশ্বকাপে এখনপর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৩২৩ রান করেছেন এই ব্যাটসম্যান।
ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা) : স্পিন বিভাগে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ইমারন তাহির। প্রয়োজনীয় সময়ে দলকে ভালোভাবেই সাফল্য এনে দিচ্ছেন তিনি। এর প্রমান ইতোমধ্যে দিয়েছেনও তাহির। তাই ৭ ম্যাচে ১৫ শিকার জমা পড়েছে তাহিরের খাতায়।
