কীভাবে কাটে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা চুলের নারীর দিনকাল!

কীভাবে কাটে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা চুলের নারীর দিনকাল!
কীভাবে কাটে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা চুলের নারীর দিনকাল!
অনলাইন ডেস্কঃ ছোট্টবেলায় সবাই গল্প শুনেছেন রাপুনযেল প্রিন্সেসের। তার মত লম্বা চুল কার না চাই। তবে এমন লম্বা চুল পাওয়া কি যে সে ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে ডিজনির রাপুনযেল প্রিন্সেসের দেখা পাওয়া যাবে না তা-ও কিন্তু নয়। চলুন দেখে আসি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী এক কেশবতীকে।ডিজনির অসাধারণ সৃষ্টি রাপুনযেল রাজকুমারী। ছোট্টবেলায় যাকে এক দুষ্টু ডাইনী লুকিয়ে নিয়ে বন্দী করে রাখে এক উঁচু টাওয়ারে। কারণ রাপুনযেলের চুলের অনেক গুণ। আছে বিশেষ জাদুকরী ক্ষমতা। চুল কাটলেই নষ্ট হয়ে যায় সেই ক্ষমতা। তাই চুল কাটা একেবারেই নিষেধ ছিল রাপুনযেলের। দিনে দিনে রাজকুমারীও বড়ো হতে থাকে সাথে বাড়তে থাকে তার চুল। লম্বা হতে হতে তা এতই বড়ো হয় যে টাওয়ার থেকে নীচে ছেড়ে দিলে তা মাটিতে এসে ঠেকে।রাপুনযেল প্রিন্সেসের এই কাহিনী অজানা নয় কারও। অনেকেরই হয়তো মনে সাধ জাগে তার মত লম্বা কেশ পাওয়ার। তবে সেজন্য যে সাধনার প্রয়োজন তাতে আগ্রহ থাকে কম নারীরই।কিন্তু আশা ম্যান্ডেলাকে দেখলে তাক লেগে যাবে সবার। কারণ সেই অসাধ্যই সাধন করেছেন তিনি। গত ২৫ বছরে একবারও চুলে কাঁচি ছোঁয়ান নি তিনি। আর এজন্যই ২০০৯ সালে তার নাম ওঠে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বইয়ে।ঘন কালো চুলগুলোকে প্রায় অর্ধশত ফুট লম্বা করতে কত কষ্টই না সইতে হয়েছে আশাকে। ডাক্তার তো সাফ জানিয়ে দিয়েছিলে তিনটি বড়সড় পাথরের সমান ওজনের এই চুল বয়ে বেড়ালে অচিরেই চলৎশক্তি হারাতে হবে তাকে। তবে আশা ছাড়েননি আশা।আশা ম্যান্ডেলা বলেন, 'আমার চুল আমার নিজেরই এক অংশ। এটা আমার জীবন। এ চুল কেটে ফেলা আর আত্মহত্যা করা একই ব্যাপার।'৪৭ বছর বয়সী এই আশা সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন চুল তিনি এজন্মে আর কাটবেন না। আর এই চুলই তো এনে দিয়েছে তার সব সাফল্য, সব খ্যাতি। দেশ বিদেশের নামী দামী সব লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনের প্রতিবেদকরা এখন হন্যে হয়ে খুঁজছেন তাকে, চুল লম্বা করার রহস্য জানবার আশায়।
সুত্রঃ সময় টিভি

Post a Comment

Previous Post Next Post