![]() |
| জুড়ী উপজেলা উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা |
জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন বেশ জমে উঠেছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৬ জন প্রার্থীই সরব প্রচারণায় থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩ জনের নাম জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থক প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মুমীত আসুকের স্ত্রী গুলশান আরা মিলি (ঘোড়া প্রতীক) ও বদরুল হোসেন (আনারস) এবং বিএনপির সমর্থক হোসনে আরা (মোটরসাইকেল)। অপর ৩ প্রার্থী হলেন গিয়াস উদ্দিন (হেলিকপ্টার), তাজুল ইসলাম (কাপ-পিরিছ) ও আবদুল মুহিত (দোয়াত-কলম)। বিএনপি এই নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে বয়কট করলেও দলের অনুসারী দুই প্রার্থী হোসনে আরা ও গিয়াস উদ্দিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় শেষ মুহূর্তে নির্বাচন জমে উঠেছে। তবে নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাই বেশি বলে ভোটারদের অভিমত। সরেজমিনে বিভিন্ন অঞ্চলের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গুলশান আরা মিলি ও বদরুল হোসেন আওয়ামী লীগের অনুসারী। অন্যদিকে হোসনে আরা ও গিয়াস উদ্দিন বিএনপিপন্থী। তাই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে। আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে বিজয়ী বদরুল হোসেনের পক্ষে হুইপ শাহাব উদ্দিন আহমদ এবং প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মুমীত আসুকের স্ত্রী ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী গুলশান আরা মিলির পক্ষে জোর সমর্থন রয়েছে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর। মিলি প্রয়াত স্বামীর ইমেজ কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে পারেন বলে তৃণমূলের ভোটারদের অভিমত। বিএনপিপন্থী হোসনে আরার পক্ষে নাছির উদ্দিন মিঠু ও গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে অঘোষিত সমর্থন রয়েছে এবাদুর রহমান চৌধুরীর। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট ভাগ হওয়া এবং সরকারবিরোধী ইমেজ কাজে লাগিয়ে শেষ মুহূর্তে চমক দেখাতে পারেন বিএনপির নেত্রী হোসনে আরা। এই চারজনের বাইরে অন্য ২ প্রার্থী তাজুল ইসলাম তারা মিয়া ও আবদুল মুহিতও ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। উল্লেখ্য, ২৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় এই উপনির্বাচনে ৮৯ হাজার ৪০১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ৪৫০ জন লোক নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে রয়েছেন বলে ভারপ্রাপ্ত জুড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন।
সুত্রঃ মানব ঠিকানা
